Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রতুয়ায় ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন, দু’দিনে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি গ্রাম

মালদহের রতুয়া ১ ব্লকে ফের ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন। দু’দিনে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চারটি গ্রাম। ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্তত দুই শতাধিক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

রতুয়ায় ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন, দু’দিনে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি গ্রাম
  • ৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চাঁচল: মালদহের রতুয়া ১ ব্লকে ফের ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন। দু’দিনে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চারটি গ্রাম। ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্তত দুই শতাধিক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নদীতে তলিয়ে গিয়েছে শতাব্দী প্রাচীন কালীমন্দির। ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে শিবমন্দিরও। সেটি যে কোনও মুহূর্তে গঙ্গাগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। তলিয়ে গিয়েছে জিতুটোলার প্রাচীন বটগাছগুলিও।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত দু’দিন ধরে শ্রীকান্তটোলা, জিতুটোলা, আমীরচাঁদটোলা ও পশ্চিম রতনপুরে গঙ্গার প্রায় ৭০০ মিটার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন হয়েছে। চারটি এলাকায় দুই শতাধিকের বেশি পরিবার গৃহহীন। বহু ঘরবাড়ি নদীতে তলিয়ে গিয়েছে। গৃহহীনরা যতটুকু পেরেছেন, গৃহস্থালির সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও অস্থায়ী শিবিরে চলে গিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনের যা গতি, তাতে আরও অন্তত চারশো বাড়ি বিপদের মুখে। শ্রীকান্তটোলার বাসিন্দা প্রভাস কর্মকার ও সমর মণ্ডল বলেন, যে কোনও সময় বাড়ি নদীতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। তাই সপরিবার ঘর ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছি।
কয়েকদিন ধরে ভাঙন রোধে কিছু কাজ হলেও লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায় কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গঙ্গা ভাঙন আটকানো কেন্দ্রের দায়িত্ব। সময়মতো ব্যবস্থা নিলে এই দুর্দশা হতো না। এখন যা অবস্থা, তাতে মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা নদীতে তলিয়ে যেতে আর বেশিদিন বাকি নেই।
এপ্রসঙ্গে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর মন্তব্য, রাজ্য সরকারকে একাধিকবার জানানো হলেও ভাঙন রোধের বরাদ্দ চেয়ে কোনও প্রকল্প তৈরি করে প্রস্তাব পাঠায়নি কেন্দ্রে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ