সংবাদদাতা, ইসলামপুর, চাঁচল ও ইটাহার: চাঁচলের থাহাঘাটি হাই মাদ্রাসায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল পেমা ভক্তিপুর হাই মাদ্রাসার ছাত্রী অনিমা রায়ের। পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা পর অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। বিষয়টি নজরে আসতেই পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মীরা দ্রুত ব্যবস্থা নেন। খবর দেওয়া হয় অ্যাম্বুলেন্সে। অপেক্ষা না করে কেন্দ্রের বাইরে থাকা পুলিশ নিজেদের ভ্যানেই অনিমাকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সঙ্গে ছিলেন পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকজন কর্মীও।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে সেখানেই অনিমার পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বাবা রমেশ রায় বলেন, পুলিশ সময়মতো মেয়েকে হাসপাতালে না নিয়ে গেলে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হত না। পুলিশের জন্যই আবার পরীক্ষা দিতে পেরেছে।
থাহাঘাটি হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক তথা সেন্টার ইনচার্জ মোসলেহুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, অনিমা যাতে পরীক্ষা দিতে পারে, সেজন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরে দুর্ঘটনায় জখম মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও দিতে পারল না। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়ালপোখর ২ ব্লকের ঝিটকিয়ার এসবি টোলি হাইস্কুলের ছাত্র বিকি সরকার শুক্রবার সন্ধ্যায় সাইকেল চালিয়ে বোনকে নিয়ে টিউশন থেকে ফেরার সময় ভুটভুটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ভুটভুটিতে রড বোঝাই ছিল। তার আঘাতে বিকি ও তার বোন জখম হয়। দু’জনকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়। বোনকে রেফার করা হয়েছিল উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। বিকির সেন্টার ছিল রামকৃষ্ণপুর পিডিজিএম হাইস্কুলে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিকি দত্ত বলেন, হাসপাতালে বিকির পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রায় ৩০ মিনিট পরীক্ষা চলার পর বিকি অসুস্থ হয়ে যায়। তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে পাঠায় কর্তৃপক্ষ। ছাত্রের পরিবার জানিয়েছে, বিকি এবার পরীক্ষা দেবে না।
ইটাহারে পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এক পরীক্ষার্থী। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে ইটাহারের বানবোল হাইস্কুলে। অসুস্থ নন্দিনী বর্মন দুর্গাপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তার সিট পড়েছিল বানবোল উচ্চ বিদ্যালয়ে। এদিন পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা পর অসুস্থ হয়ে পড়ে নন্দিনী। প্রশাসনের তৎপরতায় তাকে ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানেই পরীক্ষা দেয় সে।