সংবাদদাতা, চাঁচল: কোথাও উঁচুনিচু। আবার অনেক জায়গায় গর্ত। কোথাও আবার পিচের চাদর উঠে পাথর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। বর্ষায় চরম দুর্ভোগের পর শুখা মরসুমেও দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে মালদহের চাঁচল ১ ব্লকের চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দাদের। একাধিকবার দাবি জানিয়েও সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। চাঁচল সদরের খেজুরিয়া মোড় থেকে হাজাতপুর পর্যন্ত প্রায় সাত কিমি প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। ভারী যানবাহন থেকে শুরু করে টোটো, বাইক চলাচল করে ওই রাস্তায়। গ্রাম্য এলাকায় ওই রুটে পরিবহণ ব্যবস্থা বলতে একমাত্র ভরসা টোটো। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন টোটো যাত্রীরা। রাস্তা বেহাল হওয়ায় মহিলাদের বেশি সমস্যা হয়। অনেকে প্রসূতি সদ্যোজাতকে নিয়ে ওই রাস্তায় টোটোয় চেপে যেতে বাধ্য হন। রুটে দু’টি সরকারি হাইমাদ্রাসার পাশাপাশি রয়েছে একাধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছাত্রছাত্রীরাও সাইকেল নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ে। শুধু তাই নয়, কলিগ্রাম, ভগবানপুর, মকদমপুর ও মহানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি কৃষি প্রধান এলাকা। বাজারে ফসল বিক্রি করতে ওই রাস্তা দিয়ে যেতে হয় চাষিদের। মকদমপুর অঞ্চলের ইনসান আলি বলেন, চাঁচল সাপ্তাহিক হাটে ফসল বিক্রি করতে যায়। রাস্তার বেহাল অবস্থার জন্য গাড়িচালক বেশি ভাড়া দাবি করেন। এতে আমাদের অনেক লোকসান হচ্ছে।



