Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গোপনে নাবালিকা খুনের পুনর্নির্মাণ, জুতো উদ্ধার হলেও মেলেনি পোশাকের অংশ

কুমারগঞ্জে নাবালিকা খুনের পুনর্নির্মাণ করল কুমারগঞ্জ থানার পুলিস। ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে মৃত নাবালিকার জুতো। তবে অদ্ভুতভাবে ওই নাবালিকার পোশাকের অংশ মিলছে না।

গোপনে নাবালিকা খুনের পুনর্নির্মাণ, জুতো উদ্ধার হলেও মেলেনি পোশাকের অংশ
  • ১২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: কুমারগঞ্জে নাবালিকা খুনের পুনর্নির্মাণ করল কুমারগঞ্জ থানার পুলিস। ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে মৃত নাবালিকার জুতো। তবে অদ্ভুতভাবে ওই নাবালিকার পোশাকের অংশ মিলছে না। ঘটনাস্থলে চিরুনি তল্লাশি চালিয়েও পুলিস পোশাক খুঁজে পায়নি। ফরেন্সিক দলও ঘটনাস্থল ঘুরে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছে।

Advertisement

তদন্তকারীদের প্রাথমিকভাবে অনুমান, নাবালিকাকে গলা টিপে খুন করা হয়। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করে তাকে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এদিকে মৃতের পরিবারের দাবি, খুনের আগে নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত ধর্ষণের কথা এখনও স্বীকার করেনি। কুমারগঞ্জ থানার আইসি রামপ্রসাদ চাকলাদার বলেন, নাবালিকা খুনের পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ফরেন্সিক দলও এসেছিল। তারা জুতো ও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছে। তদন্ত চলছে।  পুলিস সূত্রে খবর, নাবালিকা খুনের পরদিন থেকে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। ক্ষোভের আঁচ বুঝেই গত বৃহস্পতিবার অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে খুনের পুনর্নির্মাণ হয়েছে। তবে মৃতার পরিবার ও পরিজনের সদস্যদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুলিস সূত্রে খবর, গত শুক্রবার বিকেলে ওই নাবালিকা প্রথমে তার মেসোর নম্বরে ফোন করে মাসিকে এসে নিয়ে যেতে বলেছিল। সেকথা শুনে মেসো এসে ওই নাবালিকাকে নিয়ে যায়। 
তবে বাড়িতে গিয়ে মেসো তার স্ত্রীকে জানায়, ওই নাবালিকাকে খুঁজে পায়নি। এদিকে অভিযুক্ত মেসো, নাবালিকাকে টোটো করে মোহনা বাজারে নিয়ে গিয়ে চপ ও ঘুগনি খাওয়ায়। এরপর ওই নাবালিকাকে জানিয়েছিল, বাড়ি যাওয়ার জন্য আর তার কাছে টোটো ভাড়া নেই। মাঠের রাস্তা ধরে হেঁটে ওই নাবালিকাকে নিজের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল মেসোর। 
সেই মতো, ওই নাবালিকা পাকা রাস্তা থেকে নেমে সোজা মাঠের রাস্তা দিয়ে রওনা দেয়। এরপর নির্জন পুকুরের ধারে গিয়ে ওই নাবালিকাকে গলা টিপে খুন করে পুকুরে ফেলে দেয়। 
নাবালিকার দেহ উদ্ধারের সময় তার শরীরের নিম্ন অংশের পোশাক থাকলেও উপরের অংশের ছিল না। সেই কাপড় এখনও মেলেনি। তা থেকে মৃতার পরিবারের সন্দেহ, খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছে। নাবালিকার মায়ের কথায়, অভিযুক্ত আমার মেয়েকে ধর্ষণ করেই খুন করেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ