Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

পুরনের আইএএস স্ত্রী গ্রেফতার হলে সন্দীপের শেষকৃত্য, ‘শর্ত’ পরিবারের, হরিয়ানায় আইপিএস-এএসআই আত্মঘাতী

হরিয়ানা পুলিশের এক আইপিএস এবং এক এএসআইয়ের আত্মহত্যা নিয়ে জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। জাতপাতের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৭ অক্টোবর আত্মঘাতী হয়েছিলেন আইপিএস অফিসার তথা এডিজিপি ওয়াই পুরন কুমার।

পুরনের আইএএস স্ত্রী গ্রেফতার হলে সন্দীপের শেষকৃত্য, ‘শর্ত’ পরিবারের, হরিয়ানায় আইপিএস-এএসআই আত্মঘাতী
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চণ্ডীগড়: হরিয়ানা পুলিশের এক আইপিএস এবং এক এএসআইয়ের আত্মহত্যা নিয়ে জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। জাতপাতের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৭ অক্টোবর আত্মঘাতী হয়েছিলেন আইপিএস অফিসার তথা এডিজিপি ওয়াই পুরন কুমার। এরপর মঙ্গলবার মৃত পুরনকে দুষেই আত্মঘাতী হন রোহতক সাইবার সেলের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনসপেক্টর (এএসআই) সন্দীপ কুমার। কে দোষী, কে নির্দোষ? সেই প্রশ্নের মীমাংসার আগেই অন্য বিড়ম্বনায় পড়েছে পুলিশ। বুধবার সন্দীপের  দেহ পুলিশের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করেছে পরিবার। তাঁরা গ্রামে দেহ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান। তাঁদের আরও দাবি, পুরন কুমারের আইএএস আধিকারিক স্ত্রী অমনীত পুরন কুমারকে গ্রেফতার করতে হবে। কারণ, ঘুষ বাবদ কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন প্রয়াত পুরন এবং অমনীত। সেই দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন সন্দীপ। এজন্য হেনস্তার শিকারও হন। সেই কারণে সন্দীপ আত্মহত্যায় বাধ্য হয়েছেন। তাঁর পরিবার শর্ত দিয়েছে, ‘অমনীতকে গ্রেফতার করতে  হবে। তবেই দেহ সৎকার করা হবে।’ 

Advertisement

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন সন্দীপের তুতোদাদা শিসপাল লাথার। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই একজন শহিদ। ভগৎ সিং যেমন ব্রিটিশের বিরুদ্ধে লড়েছিল, সন্দীপও তেমনই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। সরকারের উচিত পুরন কুমারের সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত করা। ওদের ২-৩ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে।’ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ