Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

১৫০ মামলায় একই সাক্ষী! ডবল ইঞ্জিন মধ্যপ্রদেশে পুলিশের ‘কীর্তি’তে বিতর্ক

গাঁজা পাচার থেকে শুরু করে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের কারবার। সমস্ত মামলায় পুলিশের সাক্ষী হাতেগোনা কয়েকজন ব্যক্তি

১৫০ মামলায় একই সাক্ষী! ডবল ইঞ্জিন মধ্যপ্রদেশে পুলিশের ‘কীর্তি’তে বিতর্ক
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ভোপাল: গাঁজা পাচার থেকে শুরু করে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের কারবার। সমস্ত মামলায় পুলিশের সাক্ষী হাতেগোনা কয়েকজন ব্যক্তি। সকলেই পুলিশ অফিসারের পূর্বপরিচিত। এভাবেই কমপক্ষে ১৫০টি ফৌজদারি মামলায় সাক্ষী পেশ করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের মৌগঞ্জ জেলার। সম্প্রতি এবিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন কুঞ্জবিহারী ঠাকুর নামে এক সমাজকর্মী। পুলিশের এহেন কীর্তির খবর প্রকাশ্যে আসতেই অস্বস্তিতে ডবল ইঞ্জিন সরকার। অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের নাম জগদীশ সিং ঠাকুর। 

Advertisement


কমপক্ষে ১০০টি মামলায় নিজের গাড়িচালক অমিত কুশওয়াহাকে সাক্ষী করেছিলেন জগদীশ। এখানেই শেষ নয়। রাঁধুনি তথা সবজি বিক্রেতা দীনেশ কুশওয়াহা, প্রাক্তন গাড়িচালক রাহুল বিশ্বকর্মা সহ একাধিক ব্যক্তিকেও সাক্ষ্য দেওয়ার কাজে লাগিয়েছিলেন ওই সাব ইনসপেক্টর। অরুণ তেওয়ারি নামে এক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিকে পর্যন্ত সাক্ষী সাজানো হয়। মৌগঞ্জের এসপি দিলীপ সোনি জানান, নইগারি থানার ইনচার্জ জগদীশকে ইতিমধ্যে ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত জারি রয়েছে।


পুলিশ সূত্রে খবর, যাবতীয় মামলা লাউর ও নইগারি থানায় দায়ের করা হয়েছিল। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দুই থানার দায়িত্বে ছিলেন জগদীশ। ট্রান্সফার হলেই অমিতদের সঙ্গে নিয়ে যেতেন অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক। অমিতের পরেই জগদীশের অন্যতম সাক্ষী ছিল দীনেশ। জানা গিয়েছে, এক সময় পুলিশের জন্য রান্নার কাজ করত ওই যুবক। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দীনেশ জানায়, ‘শুধু গাঁজা সংক্রান্ত একটি মামলায় সশরীরে সাক্ষী দিয়েছিলাম। বাকি মামলায় সাক্ষী হিসাবে আমার স্বাক্ষর বসিয়ে দিত পুলিশ।’ সমাজকর্মী তেওয়ারি জানান, ‘সম্ভবত নির্দোষদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর লক্ষ্যে এই কাজ করতেন জগদীশ। নইগারির ওই স্টেশন ইনচার্জকে অতীতে একাধিকবার সাসপেন্ড করা হয়েছিল। কয়েকদিন পর আবার একই থানায় তাঁকে পোস্টিং দেওয়া হয়।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ