Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ট্রাইব্যুনালের নোটিস পাওয়া প্রধানের বাড়িতে শাসকদলের জেলা নেতৃত্ব

এনআরসি নিয়ে অসম সরকারের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে মাথাভাঙার হাজরাহাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নোটিস পেয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালের নোটিস পাওয়া প্রধানের বাড়িতে শাসকদলের জেলা নেতৃত্ব
  • ৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: এনআরসি নিয়ে অসম সরকারের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে মাথাভাঙার হাজরাহাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নোটিস পেয়েছেন। বুধবার এলাকায় এসে প্রধান সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক, জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন সহ দলীয় নেতারা। যাঁকে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য প্রধান নোটিস পেয়েছেন সেই মিনতি শীলশর্মার বাপেরবাড়িতে এসে তাঁর ভাই ও অসম থেকে এখানে আসা তাঁর ছেলের সঙ্গেও কথা বলেন অভিজিৎবাবু। 

Advertisement

হাজরাহাট-২ পঞ্চায়েতের প্রধান বীনামা বর্মনের বাড়িতে আসে তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রধানের বাড়িতে বসে তৃণমূলের জেলা সভাপতি বলেন, বিবাহসূত্রে এখানকার যাঁরা এখন অসমে থাকেন, তাঁরা এখন ওখানকার বাসিন্দা। তাঁদের অতীতে এখানে থাকার নথিপত্র স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন দেবে। কিন্তু আমাদের রাজ্যের কোনও জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের আধিকারিক অসমে গিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দেবেন না। আমরা সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছি। 
প্রসঙ্গত, হাজরাহাট-২ পঞ্চায়েতের মিনতি শীলশর্মার ৩৭ বছর আগে বিয়ে হয়েছে অসমে। ২০১৫ সালে হাজরাহাট-২ পঞ্চায়েতের তৎকালীন প্রধান মিনতিকে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন। সেই সার্টিফিকেট দেওয়ার কারণে প্রধানকে নথিপত্র নিয়ে হাজিরা দিতে বলেছে অসমের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল। আর এনিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। 
মিনতি শীলশর্মার ছোট ছেলে রামপদ মামাবাড়িতে এসেছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। রামপদ বলেন, এখানকার নথিপত্র পেশ করার পরও  মায়ের নাম এনআরসি মাধ্যমে কেটে দেওয়া হয়েছে। মা অসুস্থ, শয্যাশায়ী। আমরা ভয় পাচ্ছি মা’কে যদি ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে তাঁর দেখাশোনা কে করবে। চরম বিড়ম্বনায় রয়েছি আমরা। 
বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন জানিয়েছেন, এসব নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করছে। ওরা লোকজনকে বিভ্রান্ত করছে। নথিপত্র যদি প্রকৃত হয় তাহলে তা প্রমাণ করতে জনপ্রতিনিধিদের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ