সংবাদদাতা, সিউড়ি: রাতের বেলা দোকানে ফার্মাসিস্ট না থাকার অজুহাতে গভীর রাতে খোলা থাকে না সিউড়ি শহরের প্রায় সিংহভাগ ওষুধের দোকান। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে রোগী এবং তাঁর আত্মীয়দের। গভীর রাতে জীবনদায়ী ওষুধ পেতে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কিন্তু সরকারি নিয়মানুযায়ী রাতের বেলাতেও বেশকিছু জায়গায় জরুরি পরিষেবা দেওয়ার জন্য ওষুধের দোকান খোলা রাখতে হয়। সিউড়ি শহরবাসীর একাংশের অভিযোগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাত্রি ১০টার পর এবং সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল এলাকায় রাত্রি সাড়ে ১১টার পরই সমস্ত ওষুধের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল এলাকাতে আগে রাতের বেলা জরুরি পরিষেবা দেওয়ার জন্য কিছু ওষুধের দোকান খোলা রাখা হলেও এখন প্রায় বেশিরভাগ দোকান বন্ধ থাকে বলে হাসপাতালের রোগীর আত্মীয়দের দাবি। শীতের রাতে কোনও রোগীর চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধের প্রয়োজন হলে শহরের এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত হন্যে হয়ে ছুটে বেড়াতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি বছর কয়েক আগে ড্রাগ কন্ট্রোল আধিকারিককে বিষয়টি জানিয়ে হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় পরিষেবা দেওয়ার জন্য ওষুধের দোকান খুলে রাখা এবং শহরের অন্যান্য জায়গায় রোটেশন পদ্ধতিতে ওষুধদের দোকান খুলে রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি বলেন, জরুরি পরিষেবার জন্য রাতের বেলা সব দোকান না খোলা থাকলেও কিছু দোকান খোলা রাখা উচিত। তা না হলে হাসপাতালের মুমূর্ষু রোগীদের রাতের বেলা ওষুধের প্রয়োজনে তাঁরা কোথায় যাবেন? আমি বিষয়টি ড্রাগ কন্ট্রোল আধিকারিককে জানাব। এদিকে দোকান মালিকদের একাংশের অভিযোগ রাতের বেলা দোকানে ফার্মাসিস্ট থাকতে চাইছেন না। কিন্তু ফার্মাসিস্ট ছাড়াও অনেক দোকানদার রাতে জরুরি পরিষেবা দিতে চাইলেও ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের সরকারি আইনের গেরোয় দোকানের মালিক দোকান খুলে রাখতে পারছেন না।



