সংবাদদাতা, বহরমপুর: বন্ধুদের সঙ্গে ফিস্ট করে বাড়ি ফিরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। মৃতের নাম সাগর হালদার(১৫)। বাড়ি বেলডাঙা থানার সত্তরপুরে। ফ্রি ফায়ার গেমে সে আসক্ত ছিল। পরিবারের দাবি, বাড়ি ফিরে সে অনেক রাত পর্যন্ত মোবাইলে গেম খেলেছিল। তারপরই কিছু হয়। যার জেরেই সে আত্মঘাতী হয়েছে। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ফিস্ট করে বাড়ি ফিরে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাগর ফ্রি ফায়ার গেম খেলে। সকালে মা তাকে ডাকতে গিয়ে দেখেন, দেহ ঝুলছে। পরিবারের দাবি, বাড়িতে কোনও অশান্তি হয়নি। মোবাইল গেম খেলা নিয়েই কিছু ঘটে থাকতে পারে। মৃতের বাবা নীলরতন হালদার বলেন, ছেলে বেশ কিছুদিন ধরে মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছিল। আমরা কিছু বলতে গেলে রেগে যেত। তাই ইদানীং কিছু বলতাম না। তবে এমনটা হবে ভাবতেও পারছি না।
সব্জি বিক্রেতার মৃত্যু: মোটা টাকা ঋণে জড়িয়ে পড়ায় মানসিক অবসাদে কীটনাশক খেয়ে এক সব্জি বিক্রেতা আত্মঘাতী হলেন। মৃতের নাম শাহরুখ খান(২৯)। বাড়ি বেলডাঙা থানার দেবকুণ্ডুতে। পাঁচদিন চিকিৎসার পর শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। কোনও অভিযোগ হয়নি বলে পুলিস জানিয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্জি ব্যবসায় বেশ কিছু টাকা ঋণ হয়েছিল। তার জেরে শাহরুখ মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর কীটনাশক খেয়েই বাড়ি ফেরেন। পরিবারের লোক জানতে পেরে বেলডাঙা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনেন। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। মৃতের আত্মীয় ইলিয়াস শেখ বলেন, ঋণ হয়েছিল শুনেছিলাম। তবে কেন বিষ খেয়েছিল তার সঠিক কারণ জানি না।
সব্জি বিক্রেতার মৃত্যু: মোটা টাকা ঋণে জড়িয়ে পড়ায় মানসিক অবসাদে কীটনাশক খেয়ে এক সব্জি বিক্রেতা আত্মঘাতী হলেন। মৃতের নাম শাহরুখ খান(২৯)। বাড়ি বেলডাঙা থানার দেবকুণ্ডুতে। পাঁচদিন চিকিৎসার পর শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। কোনও অভিযোগ হয়নি বলে পুলিস জানিয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্জি ব্যবসায় বেশ কিছু টাকা ঋণ হয়েছিল। তার জেরে শাহরুখ মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর কীটনাশক খেয়েই বাড়ি ফেরেন। পরিবারের লোক জানতে পেরে বেলডাঙা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনেন। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। মৃতের আত্মীয় ইলিয়াস শেখ বলেন, ঋণ হয়েছিল শুনেছিলাম। তবে কেন বিষ খেয়েছিল তার সঠিক কারণ জানি না।



