লিসবন: নীল টি-শার্টের উপর ধূসর রংয়ের ব্লেজার। চোখে সানগ্লাস। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো লিসবন বিমানবন্দরে পা রাখতেই উত্তাল চত্বর। মহাতারকার একটা অটোগ্রাফ বা সেলফির জন্য রীতিমতো পাগল অনুরাগীরা। আর রোনাল্ডোও হতাশ করলেন না সমর্থকদের। হাসিমুখেই মেটালেন যাবতীয় আবদার। বিশ্বকাপ খেলতে আমেরিকার বিমানে ওঠার আগে সাক্ষাত্কারও দিলেন তিনি। পাঁচবারের ব্যালন ডি’ওর জয়ীর মন্তব্য, ‘প্রস্তুতি দারুণ হয়েছে। প্রত্যেকে কঠোর পরিশ্রম করেছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি খুবই পজিটিভ। বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে চাই। এবার আমাদের টিম খুবই শক্তিশালী। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে বদ্ধপরিকর।’
আমেরিকার বিমান ধরার আগে জাতীয় দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী। খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করার পর রোনাল্ডোর হাতে বিশেষ উপহার তুলে দেন তিনি। উল্লেখ্য, আমেরিকায় ফ্লোরিডার পাম বিচেস গার্ডেনে বেসক্যাম্প করবে পর্তুগাল। আর রোনাল্ডোরা মেগা আসরে অভিযান শুরু করছেন ১৭ জুন। প্রতিপক্ষ কঙ্গো। সিআরসেভেনের কথায়, ‘সব প্রতিপক্ষকেই গুরুত্ব দিতে হবে। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ সর্বদাই কঠিন। তাই শুরুটা ভালো করা জরুরি। তারপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ নিয়ে ভাবব। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়াই প্রাথমিক লক্ষ্য। তারপর ম্যাচ বাই ম্যাচ এগতে হবে।’ উল্লেখ্য, ৪১ বছর বয়সি রোনাল্ডোর এবার কেরিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নামছেন। তাঁর ক্যাবিনেটে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রায় সব ট্রফিই রয়েছে। নেই শুধু বিশ্বকাপ। তাই এবার অধরা মাধুরী লাভে মরিয়া ক্রিশ্চিয়ানো। মেগা আসরে নামার আগে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচেই জয় পেয়েছে পর্তুগাল। যা বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে কোচ রবার্তো মার্তিনেজকে। তবে দলের সেরা তারকা এই দুটি ম্যাচের স্কোরশিটে নাম তুলতে ব্যর্থ। তাই টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে গোলে ফিরতে মরিয়া মহাতারকা।