Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আসানসোলে ব্যস্ত জিটি রোডে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ১১ লক্ষ টাকা ছিনতাই, আতঙ্ক

পুজোর মরশুমের আগেই ছিনতাইয়ের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে। শনিবার বিকেলে জিটি রোডের সাতাইশা মোড়ের কাছে ১১ লক্ষ ৬ হাজার টাকা ছিনতা‌ই঩য়ের ঘটনা ঘটেছে।

আসানসোলে ব্যস্ত জিটি রোডে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ১১ লক্ষ টাকা ছিনতাই, আতঙ্ক
  • ২৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: পুজোর মরশুমের আগেই ছিনতাইয়ের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে। শনিবার বিকেলে জিটি রোডের সাতাইশা মোড়ের কাছে ১১ লক্ষ ৬ হাজার টাকা ছিনতা‌ই঩য়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, এদিন বিকেলে নিয়ামতপুরের এক বড় ব্যবসায়ীর দুই কর্মী আসানসোলের বিভিন্ন এলাকায়  টাকা আদায় করে নিয়ামতপুর ফিরছিলেন। জিটি রোড ধরে তাঁরা বাইকে আসছিলেন। সাতা঩ইশা মোড়ের কাছে দুষ্কৃতীরা ফিল্মি কায়দায় তাঁদের টাকাভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এরপর শূন্যে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরই পুলিস তদন্তে নামে। দুষ্কৃতীরা ঝাড়খণ্ড অভিমুখে গিয়েছে বলে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, একটি ছিনতাইয়ের অভিযোগ হয়েছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। 

Advertisement

নিয়ামতপুরে রাকেশ জুলানিয়ার চাল ও আটার বড় মান্ডি রয়েছে। সেখান থেকে আসানসোল, বার্নপুরে চাল ও আটা সরবরাহ করা হয়। প্রতিদিনই ক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন তাঁর দুই কর্মচারী। এদিনও টাকা আদায় করে বাইকে তাঁরা দোকানে ফিরছিলেন। তখনই রাস্তায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যবসায়ীর কর্মচারী রবীন্দ্র সিং বলেন, দু’জন ছিনতাইবাজ বাইক নিয়ে রাস্তায় অপেক্ষা করছিল। আমাদের বাইক তারা আটকায়। একজন হেলমেট পরেছিল অন্যজন রুমাল বা গামছা জাতীয় কিছু দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিল। তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। পুলিসের দাবি, ছিনতাইবাজরা নিয়ামতপুরের দিকে চলে যায়। খবর পাওয়ার পরই পুলিস বিভিন্ন রাস্তায় নাকা তল্লাশি শুরু করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর পুলিস তৎপর হলেও ব্যবসায়ী মহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জিটি রোডের মতো ব্যস্ত রাস্তার উপর বিকেল পৌঁনে ৪টে নাগাদ এই ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।  রাস্তার উপর পুলিসের নাকা পোস্ট রয়েছে। তা সত্ত্বেও এই ঘটনায় আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা। নিয়ামতপুরের ব্যবসায়ী শচীন ভালোটিয়া, আশিস কেডিয়া বলেন, দিনের আলোয় যদি জিটি রোডের উপর এই ঘটনা ঘটে, তাহলে আমরা ব্য‌বসা কীভাবে করব? দ্রুত দুষ্কৃতীদের ধরতে হবে। তা না হলে  দুষ্কৃতীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। ব্যবসায়ী রাকেশ জুলানিয়া বলেন, আসানসোল ও বার্নপুর থেকে টাকা আদায় করে আমার কর্মচারীরা আসছিল। পুলিসের কাছে অভিযোগ করেছি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ