Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দু’বছরে কেশপুরে ১০৫ কোটি টাকার রাস্তা হয়েছে: অভিষেক

গত দু’বছরে কেশপুরে ১০৫ কোটি টাকার রাস্তা হয়েছে।

দু’বছরে কেশপুরে ১০৫ কোটি টাকার রাস্তা হয়েছে: অভিষেক
  • ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাজদীপ গোস্বামী, আনন্দপুর: গত দু’বছরে কেশপুরে ১০৫ কোটি টাকার রাস্তা হয়েছে। রবিবার কেশপুর বিধানসভার আনন্দপুর স্কুল মাঠে জনসভায় এই বার্তা দিয়ে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের সমাবেশে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। 

Advertisement

এদিন দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ আনন্দপুর স্কুল মাঠে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে উঠেই তিনি বলেন, কেশপুরের মানুষকে কুর্নিশ জানাই। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গত ১৫ বছরে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। যার ফলে উপকৃত হয়েছেন কয়েক লক্ষ মানুষ। কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ২৫টি থেকে বাড়িয়ে ৬০টি বেড করা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ এলাকার চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হবে। আমাদের সরকার কেশপুর ও আনন্দপুর হাসপাতালের উন্নতির জন্য ২৫ কোটি টাকা খরচ করছে। এছাড়া মুগবসান এলাকায় চার কোটি টাকা খরচ করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গেও কেশপুর জুড়ে গিয়েছে। কেশপুরেও কাজ শুরু হয়েছে। যার ফলে উপকৃত হবেন একাধিক গ্রামের মানুষ। 
রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি অনেক মিথ্যে কথা বলেছে। আপনারা সেই কথাকে আমল দেবেন না। যতদিন তৃণমূল সরকার থাকবে ততদিন মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন। পাশাপাশি বাংলার বাড়ি প্রকল্পে গত দু’বছরে কেশপুরে ২৪ হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছেন। কথা দিচ্ছি, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দিলেও আগামী দিনেও সকলের মাথার উপর ছাদ হবে। শুধু কেশপুর বিধানসভায় ৯০ হাজারের বেশি মানুষ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। একইসঙ্গে খাদ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিমাসে তিন লক্ষ ৫৫ হাজার মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। এছাড়া কৃষক বন্ধুর মাধ্যমে ৯৬ হাজার মানুষ আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। আর যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করেছিল বিজেপি। শুধু কেশপুর থেকে ২৪ হাজার যুবক ও যুবতী এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। যাঁরা এখনও পাননি, নিরাশ হবেন না। তাঁদের উদ্দেশ্যে বলি, ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণার পর ফর্ম পূরণ করবেন। সেই মাস থেকেই আপনারা টাকা পাবেন। 
অভিষেক বলেন, মানুষের জন্য উন্নয়ন হয়েছে। তাই কেশপুরের প্রতিটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেবেন সাধারণ মানুষ। ২৩ তারিখ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বোতাম এমনভাবে টিপবেন, যাতে দিল্লি, গুজরাতের নেতারাও বুঝতে পারেন। 
বাম আমল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমের আমলে কেশপুরের মানুষ অপশাসন, সন্ত্রাস দেখেছে। কেশপুর ছিল রাজ্যের মধ্যে অন্যতম সন্ত্রাস কবলিত এলাকা। সিপিএম বিরোধীদের উপর অত্যাচার করেছে। কেশপুরে সিপিএমের পার্টি অফিস থেকে গোটা এলাকা পরিচালনা করা হত। এখন জার্সি পাল্টে বাম থেকে রাম হয়েছে। তাঁরা এলাকা অশান্ত করতে নেমেছে। যদি কেউ ভাবে ডিজে বাজিয়ে সিপিএমের কালো দিন ফিরিয়ে আনবে, তারা ভুল ভাবছে। কেশপুর থেকে তৃণমূল এক লক্ষ ভোটে জিতবে। ৪মে রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে কেশপুরের তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহা বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসায় কর্মীদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

সম্পর্কিত সংবাদ