Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বড়ম্তি পর্যটনকেন্দ্রের রাস্তা বেহাল, সংস্কারের আশ্বাস

পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য সাঁতুড়ির বড়ন্তি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। কিন্তু সেই পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে।

বড়ম্তি পর্যটনকেন্দ্রের রাস্তা বেহাল, সংস্কারের আশ্বাস
  • ২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য সাঁতুড়ির বড়ন্তি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। কিন্তু সেই পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই রাস্তা জুড়ে শুধু বড়-বড় গর্ত। চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটা। ছোট গাড়ি, টোটো যেতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বর্ষার মরশুম শেষ হলেই বড়ন্তিতে বাড়বে পর্যটকদের আনাগোনা। তখন এই বেহাল রাস্তা খুব ভোগাবে পর্যটকদের। কাজেই এলাকার মানুষ রাস্তার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। দ্রুত ওই  রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুরাডি পঞ্চায়েত মোড় থেকে বড়ন্তি জলাধার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটারের এই রাস্তার অবস্থা করুণ। পর্যটকদের সুবিধার জন্যই কয়েক বছর আগে গ্রামীণ রাস্তাটিতে  পিচ ফেলা হয়েছিল। যার ফলে রাস্তা দিয়ে চলাচলে সুবিধা হয়েছিল পর্যটকদের। শুধু পর্যটন কেন্দ্রই নয় এই রাস্তা দিয়ে বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসেও যাওয়া যায়। ওই রাস্তা দিয়েই ব্লক এলাকার বাসিন্দারা মুরাডি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কৃষি দপ্তর, সেচ দপ্তর এবং সিডিপিও অফিসে যান। 
এক স্বাস্থ্যকর্মীর কথায়, বড়ন্তির ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে রীতিমতো ভয় হয়। রাতে বাইক, স্কুটি নিয়ে বাজারে বের হওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে হেঁটেই বাজারে যেতে হয়।
বর্ষার ছুটিতে বড়ন্তি পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে আসা অনিমা পাত্র, জয়ন্ত পাত্ররা বলেন, এই পর্যটনকেন্দ্রে আসার পথে প্রতিটি রাস্তা বেহাল।  এখানে রাস্তাঘাট এত খারাপ জানা ছিল না। কখনওই বর্ষার সময় ছোট চারচাকা গাড়ি নিয়ে এখানে ঘুরতে আসব না।
এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে পার্থপ্রতিম ফৌজদার, রঞ্জিত দাসরা বলেন, চিকিৎসার জন্য মানুষ ওই রাস্তা দিয়েই হাসপাতালে যান। কিন্তু হাসপাতাল যেতে গিয়েই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন স্থানীয়রা। অনেকেই মর্নিংওয়ার্ক, সান্ধ্যকালীন হাঁটার জন্য রাস্তাটি ব্যবহার করতেন। তবে রাস্তাজুড়ে এত গর্ত থাকায় এখন আর কেউ যেতে  সাহস পান না।
সাঁতুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি রামপ্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় ওই রাস্তা রাখা হয়েছে। জেলা পরিষদেও জানানো রয়েছে। রাস্তার  সংস্কারের জন্য খুব  শীঘ্রই  অর্থের  অনুমোদন মিলবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ