Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেদিনীপুর শহরে ২৫টি ওয়ার্ডের রাস্তারই বেহাল দশা, বর্ষার পর মেরামতের আশ্বাস

বর্ষা আসার আগে থেকেই মেদিনীপুর শহরের ২৫টি ওয়ার্ডেই রাস্তার হাল খুবই খারাপ। বিশেষ করে পাড়ার রাস্তাগুলি জরাজীর্ণ আকার নিয়েছে। প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের।

মেদিনীপুর শহরে ২৫টি ওয়ার্ডের রাস্তারই বেহাল দশা, বর্ষার পর মেরামতের আশ্বাস
  • ১৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: বর্ষা আসার আগে থেকেই মেদিনীপুর শহরের ২৫টি ওয়ার্ডেই রাস্তার হাল খুবই খারাপ। বিশেষ করে পাড়ার রাস্তাগুলি জরাজীর্ণ আকার নিয়েছে। প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। পুরসভা অবশ্য জানিয়েছে, বর্ষার পর রাস্তা সংস্কার হবে। তাতেই প্রমাদ গুনছে বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, এই বর্ষায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। পথ চলাই দায় হয়ে উঠবে। 

Advertisement

শহরের খাপ্রেলবাজার, কোতবাজার, রাজাবাজার, কর্ণেলগোলা, ক্ষুদিরামনগর, হবিবপুর, মির্জাবাজার, নান্নুরচক, রবীন্দ্রনগর, বার্জটাউন সহ সর্বত্রই একই অবস্থা। পিচ উঠে গিয়ে রাস্তার বুকে বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। সেখানে বৃষ্টির জল জমে খানা ডোবায় পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গায় ভেঙে গিয়েছে ঢালাই রাস্তাও। নর্দমার জল রাস্তা দিয়ে বয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। জলের তোড়ে ধুয়ে যাচ্ছে পিচ। বেরিয়ে পড়ছে কঙ্কালসার চেহারা। কোথাও আবার পিচ রাস্তায় ভাঙা ইট, রাবিস দিয়ে গর্ত ভরাটের চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই পথ দিয়েই নিত্য যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। তাঁদের মতে, বর্ষার আগে সংস্কার করা উচিত ছিল। কিন্তু পুরসভা কোনও উদ্যোগই নেয়নি। 
পুরসভার পূর্ত দপ্তরের সিআইসি সদসদ্য সৌরভ বসু মানছেন শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের অনেক রাস্তাই ভেঙে চুরে গিয়েছে। সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, এই সব রাস্তা সংস্কারের জন্য অনেকদিন আগেই রাজ্যে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ব্যয়বরাদ্দ দিয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। টাকা এলেই কাজ শুরু হবে। কিছু টাকা এসেছে। কিন্তু বর্ষা এসে যাওয়ায় কাজ করা যাচ্ছে না। তবুও  কিছু রাস্তা সংস্কার করা যায় কিনা দেখা হচ্ছে। তবে বর্ষার পর সমস্ত রাস্তাই সংস্কার করা হবে। তাঁর আশ্বাস পুজোর আগে সমস্ত রাস্তা সংস্কার হয়ে যাবে। 
বাসিন্দারা বলেন, বর্ষার পর সংস্কার হলে এখন  কী ভাবে পথচলা হবে। এক বাসিন্দা শেখ হালিম বলেন, রাস্তার যা হাল তাতে বলা যায় পুরসভা রক্ষণাবেক্ষণে কোনও গুরুত্বই দেয়নি। সঠিক দেখভাল হলে এই পরিস্থিতি হত না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ