Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বন্ধ রাস্তা, লাচেন ও লাচুং প্রায় বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি ও ধসে বিপর্যস্ত উত্তর সিকিম আটকে ১৮০০ পর্যটক, উদ্ধারের চেষ্টা

বৃষ্টি ও ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিম। বৃষ্টির ২৪ ঘণ্টা পর শুক্রবারও লাচেন ও লাচুংয়ে আটকে রয়েছে ১৮০০ পর্যটক।

বন্ধ রাস্তা, লাচেন ও লাচুং প্রায় বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি ও ধসে বিপর্যস্ত উত্তর সিকিম আটকে ১৮০০ পর্যটক, উদ্ধারের চেষ্টা
  • ২৬ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বৃষ্টি ও ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিম। বৃষ্টির ২৪ ঘণ্টা পর শুক্রবারও লাচেন ও লাচুংয়ে আটকে রয়েছে ১৮০০ পর্যটক। তাঁদের অনেকেই বাংলার। বেশকিছু রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাঁদের ফেরানো সম্ভব হয়নি। পর্যটকদের উত্তর সিকিমে যাওয়ার অনুমতি আপাতত দিচ্ছে না ওই রাজ্যের সরকার। পাহাড়ি রাজ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করার কাজ তদারকি করছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। চুংথাংয়ে আটকে পড়া হাজার পর্যটককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পাঠানো হয়েছে। 

Advertisement

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত উত্তর সিকিমের কিছু এলাকা এদিন পরিদর্শন করেন মাঙ্গন জেলা পুলিস ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। 
পুলিস সুপার সোনম দেচু ভুটিয়া জানান, লাচুং ও লাচেনে ১৮০০ পর্যটক আটকে রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানান, চুংথাংয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করা হয়েছে। এরবাইরে লাচুং ও লাচেনের হোটেলেও কিছু পর্যটক রয়েছেন। তবে সকলেই সুস্থ ও স্বাভাবিক। তাঁদের সবরকম সহায়তা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জোর বৃষ্টি হয় প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমে। যারজেরে উত্তর সিকিমের চুংথাং, লাচেন ও লাচুং বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাজ্য থেকে অনেকে পাড়ি দিয়েছেন উত্তর সিকিম। কিন্তু, ভারী বৃষ্টির জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। 
পাহাড়ের কাদা, পাথর, নুড়ি প্রভৃতি নেমে একাধিক রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। আবার কিছু রাস্তা ধসে গিয়েছে। যারজেরে মূল সড়ক থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন লাচুং ও লাচেন। সংশ্লিষ্টএলাকাগুলিতে আটকে পড়েছে প্রায় ১৮০০ পর্যটক। যারমধ্যে লাচুংয়ে ১২০০ এবং লাচেনে ৬০০জন রয়েছেন বলে খবর।
সিকিম প্রশাসন জানিয়েছে, বৃষ্টির জেরে চুংথাংয়ে আটকে পড়েছিলেন প্রায় ১০০০ পর্যটক। সেনাবাহিনী সাংকলান এলাকায় বেইলি ব্রিজ তৈরি করে। সেই ব্রিজ দিয়েই তাঁদের উদ্ধার করে মাঙ্গন জেলায় নিয়ে আসা হয়। নিরাপদে তাঁদের গ্যাংটকে পাঠানো হয়েছে। ধসে বিপর্যস্ত রাস্তাগুলি খোলার চেষ্টা চলছে। 
শীঘ্রই এই কাজ শেষ করে লাচুং ও লাচেন থেকে বাকি পর্যটকদের উদ্ধার করা হবে। এখন অবশ্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় পর্যটকদের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। শিলিগুড়ির ট্যুর অপারেটর সম্রাট সান্যাল বলেন, পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। শীঘ্রই তাঁদের ফিরিয়ে আনা হবে। তবে এই দুর্যোগের জন্য উত্তর সিকিম আপাতত বন্ধ থাকলেও সেখানকার অন্যান্য প্রান্তে পর্যটকরা যেতে পারছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ