Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাট মে঩ডিক্যালে হিমোফিলিয়ার ইঞ্জেকশন অমিল

রামপুরহাট মে঩ডিক্যালে হিমোফিলিয়ার ইঞ্জেকশন অমিল
  • ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বেশ কিছুদিন ধরে ‘হিমোফিলিয়া’ রোগের ওষুধ ‘অ্যান্টি হিমোফিলিক ফ্যাক্টর’ অপ্রতুল রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিনামূল্যে সপ্তাহে তিনটি করে ‘ফ্যাক্টর ৮’ ইঞ্জেকশন পাওয়ার কথা রোগীদের। স্বভাবতই বেকায়দায় পড়েছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। তেমনি অসহায় অবস্থা রোগীর পরিজনদের। এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, সরকারিভাবে সরবরাহ না থাকায় বাজার থেকে যে কিনব, তারও উপায় নেই। কোম্পানি সাপ্লাই দিতে পারছে না। এর বিকল্প কোনও ওষুধও হয় না। সাপোর্ট দেওয়ার কিছু ওষুধ রয়েছে, সেটা দিয়েই কাজ চালাচ্ছি। মেডিক্যাল সূত্রের খবর, হিমোফিলিয়া রোগীদের শরীর থেকে কোনও কারণে রক্তক্ষরণ শুরু হলে, তা থামতে চায় না। বিশেষ করে হাঁটু, গোড়ালি এবং কনুইতে আঘাতের পরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় ধরে রক্তপাত হয়, যা অঙ্গ এবং টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং এতে জীবনহানিও হতে পারে। তাঁদের সুস্থ রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এই ‘ফ্যাক্টর ৮’। আগে সরকারিভাবে এই ওষুধ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে সেই উপাদান মিলছে না। 
Advertisement
মেডিক্যাল সূত্রের খবর, রামপুরহাট মেডিক্যাল হিমোফিলিয়া সেন্টার নয়। সেন্টার হল সিউড়ি সদর হাসপাতাল। যেহেতু মেডিক্যাল কলেজ, তাই রামপুরহাটে অনেক হিমোফিলিয়া রোগী আসেন। প্রায় ৬০ কিমি দূরের সিউড়িতে যাওয়া আসা অসুবিধে, তাঁদের কথা চিন্তা করে ‘ফ্যাক্টর ৮’ মজুত রাখা হতো এখানে। এর জন্য কোনও টাকা বরাদ্দ হয় না। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ মেডিসিন ফান্ড থেকেই তাঁদের ব্যবস্থা করত। কারণ, এই ওষুধ দামি, অনেক দুঃস্থ রোগীর পরিবারের পক্ষে এই খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। এক কর্মী বলেন, আগে ‘ফ্যাক্টর ৮’ ইনজেকশন মাল্টি ন্যাশনাল একটি কোম্পানি সরবরাহ করত। ‘রেট নিয়ে সরকারের সঙ্গে সমস্যার কারণে তারা সাপ্লাই বন্ধ করে দেয়। তার জন্যই এই অভাব।
সম্পর্কিত সংবাদ