সংবাদদাতা, কাঁথি: যে কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মানুষের ভরসাস্থল বহুমুখী বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র। কিন্তু সৈকতশহর দীঘা লাগোয়া রামনগরে রতনপুরে বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্রটি যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে মানুষ ভরসা হারাতে বাধ্য। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কেন্দ্রটি বেহাল ও একপ্রকার পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। রতনপুর মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সামনে বিশালাকার ভবনটি পোড়ো বাড়ির চেহারা নিয়েছে।
Advertisement
এই কেন্দ্রের বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি হয়ে গিয়েছে। বিদ্যুৎ, পানীয় জল, শৌচাগারের ব্যবস্থা নষ্ট হয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা জানান, কোটি কোটি টাকা খরচ করে কেন্দ্রটি তৈরি হলেও দেখভালের কোনও বালাই নেই। তাঁরা অবিলম্বে পরিকাঠামো উন্নয়ন করে কেন্দ্রটি ব্যবহারযোগ্য করে তোলার দাবি তুলেছেন।
রামনগর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাইচরণ সার বলেন, ঝড়-বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাসের সময় উপকূলবর্তী এলাকার মানুষ এখানে এসে থাকতেন। কিন্তু ভবনটি এখন বেহাল হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য ভবনটি ফের মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সমিতির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে।
রামনগর-১ ব্লকের পদিমা-১ পঞ্চায়েতের রতনপুর মৌজায় এই কেন্দ্রটি রয়েছে। দীঘার সমুদ্র-তীরবর্তী এই এলাকায় সবসময় জলোচ্ছ্বাস বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় লেগে থাকে। এলাকার মানুষকে ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়। আগে দুর্গতদের স্থানীয় স্কুল বা পাকা বাড়িতে নিয়ে যেতে হতো। সেকারণে বেশ কয়েকবছর আগে বহুমুখী বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছিল। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের টাকাতেই কেন্দ্রটি তৈরি হয়। প্রথমে কিছুদিন এখানে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও পরে আর কাউকে দেখা যায়নি। বছরের পর বছর ধরে কেন্দ্রটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা দরজা-জানলার কাঠামো, বিদ্যুতের সুইচবোর্ড, তার, সিলিং ফ্যান, লোহালক্কড় সহ নানা দামি সামগ্রী খুলে নিয়ে যেতে শুরু করে। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, শৌচাগারের ব্যবস্থাপনা নষ্ট করে দেয়। এখন ওই কেন্দ্রে গেলে শুধু ভাঙা সুইচবোর্ড, ভাঙা দরজা-জানলা দেখা যাবে। শুধু এটুকুই নয়, এখন প্রতি রাতেই বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্রের ফাঁকা ঘরে দুষ্কৃতীদের আড্ডা বসে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
গত মাসে ‘ডানা’ ঘূর্ণিঝড়ের সময় এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু আলো, পানীয় জল, শৌচাগারের পরিকাঠামো নষ্ট হওয়ায় তাঁদের খুব অসুবিধা হয়েছে। কোনওরকমে দু’দিন কাটিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন। এলাকার বাসিন্দা নাসিম খান বলেন, কেন্দ্রটি পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খারাপ লাগে। কোনও বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিলেও তাদের কাজে লাগত। তা থেকে ব্লক প্রশাসন বা পঞ্চায়েত সমিতির আয়ও হতো।
রামনগর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাইচরণ সার বলেন, ঝড়-বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাসের সময় উপকূলবর্তী এলাকার মানুষ এখানে এসে থাকতেন। কিন্তু ভবনটি এখন বেহাল হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য ভবনটি ফের মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সমিতির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে।
রামনগর-১ ব্লকের পদিমা-১ পঞ্চায়েতের রতনপুর মৌজায় এই কেন্দ্রটি রয়েছে। দীঘার সমুদ্র-তীরবর্তী এই এলাকায় সবসময় জলোচ্ছ্বাস বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় লেগে থাকে। এলাকার মানুষকে ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়। আগে দুর্গতদের স্থানীয় স্কুল বা পাকা বাড়িতে নিয়ে যেতে হতো। সেকারণে বেশ কয়েকবছর আগে বহুমুখী বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছিল। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের টাকাতেই কেন্দ্রটি তৈরি হয়। প্রথমে কিছুদিন এখানে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও পরে আর কাউকে দেখা যায়নি। বছরের পর বছর ধরে কেন্দ্রটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা দরজা-জানলার কাঠামো, বিদ্যুতের সুইচবোর্ড, তার, সিলিং ফ্যান, লোহালক্কড় সহ নানা দামি সামগ্রী খুলে নিয়ে যেতে শুরু করে। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, শৌচাগারের ব্যবস্থাপনা নষ্ট করে দেয়। এখন ওই কেন্দ্রে গেলে শুধু ভাঙা সুইচবোর্ড, ভাঙা দরজা-জানলা দেখা যাবে। শুধু এটুকুই নয়, এখন প্রতি রাতেই বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্রের ফাঁকা ঘরে দুষ্কৃতীদের আড্ডা বসে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
গত মাসে ‘ডানা’ ঘূর্ণিঝড়ের সময় এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু আলো, পানীয় জল, শৌচাগারের পরিকাঠামো নষ্ট হওয়ায় তাঁদের খুব অসুবিধা হয়েছে। কোনওরকমে দু’দিন কাটিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন। এলাকার বাসিন্দা নাসিম খান বলেন, কেন্দ্রটি পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খারাপ লাগে। কোনও বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিলেও তাদের কাজে লাগত। তা থেকে ব্লক প্রশাসন বা পঞ্চায়েত সমিতির আয়ও হতো।



