সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সরকারের ১২০ মেট্রিক টন ধান নিয়ে বেপাত্তা বিষ্ণুপুরের এক রাইস মিল মালিক। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল পশ্চিমবঙ্গ এগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন। তাদের অভিযোগ, সরকারি সহায়ক মূল্যে কেনা ১২০ মেট্রিক টন ধান বিষ্ণুপুরের একটি রাইসমিলে দেওয়া হয়। কিন্তু, তার পরিবর্তে একটি দানাও চাল মিল থেকে ফেরত পাওয়া যায়নি। যার মূল্য প্রায় সাড়ে ২৭ লক্ষ টাকা। বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও কোনও সাড়া না মেলায় কর্পোরেশনের তরফে ওই রাইস মিলের মালিকের বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ এগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশনের প্রকিওরমেন্ট ম্যানেজার উত্তম হেমব্রম বলেন, রাইপুরের একটি ফার্মাস প্রডিউসার কোম্পানির মাধ্যমে চাষিদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা হয়েছিল। সেই ধান বিষ্ণুপুরের একটি রাইসমিলে চাল তৈরির জন্য পাঠানো হয়েছিল। বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও মিলের মালিকের তরফে কোনওরকম সাড়া মেলেনি। সেই জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা রুজু করা হয়েছে। কর্পোরেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে সরকারি সহায়ক মূল্যে ১২০ মেট্রিক ধান কেনে রাইপুরের বিবেকানন্দ ফার্মাস প্রডিউসার কোম্পানি। ওই ধান থেকে চাল তৈরির জন্য সরকারের তরফে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ওই রাইস মিলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট রেটের বিনিময়ে মোট ৮১ মেট্রিক টন চাল ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, এক দানাও চাল ফেরত দেওয়া হয়নি। এব্যাপারে কর্পোরেশনের তরফে মিলের মালিককে বারবার তাগাদা দেওয়া হয়। কিন্তু, তাতে মালিকপক্ষের তরফে কোনওরকম সাড়া মেলেনি। পরবর্তীতে রাইস মিলের ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যায়। মালিকের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপরেই কর্পোরেশনের তরফে আইনি প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সম্প্রতি কর্পোরেশনের প্রকিওরমেন্ট ম্যানেজার ওই রাইস মিলের মালিকের বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর দায়ের করেন।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আবারও পশ্চিমবঙ্গ এগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশনের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিস তারও তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আবারও পশ্চিমবঙ্গ এগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশনের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিস তারও তদন্ত শুরু করেছে।



