সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ফরাক্কার নয়নসুখ ও রঘুনাথগঞ্জের রাধাকৃষ্ণপুরে নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরেই ফরাক্কা ব্লকের নয়নসুখ ও রামরামপুরে ভাঙন চলছে। শুক্রবার সকাল থেকে ফের নয়নসুখ এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ে। অন্যদিকে, রঘুনাথগঞ্জের রাধাকৃষ্ণপুরে ইতিমধ্যেই কয়েকবিঘা চাষের জমি, একাধিক বড় গাছ পদ্মায় তলিয়ে গিয়েছে। বেশ কিছুদিন ক্ষান্ত থাকার পর এদিন ফের ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা ইতিমধ্যে ক্ষতিপূরণ চেয়ে কৃষিদপ্তরের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
এবিষয়ে সেচদপ্তরের জঙ্গিপুর মহকুমা আধিকারিক সঞ্জয়কুমার সিংহ বলেন, জলস্তর কমার সময় ভাঙনের আশঙ্কা থাকে। জঙ্গিপুর মহকুমায় ভাঙন রোধের জন্য একটি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। জলস্তর কমলে ভাঙন রোধে কাজ শুরু হবে। ফরাক্কায় নদীতে পলির যে স্তর পড়েছিল, সেগুলোই কাটছে। সেটা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষের দেখার কথা। ফরাক্কার নয়নসুখে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে গঙ্গায় পলির চড়া পড়ে। নদীর জলস্তর কমতেই গঙ্গার পাড় ভাঙতে শুরু করেছে। এদিন সকাল থেকেই নদীর পাড়ে একের পর এক বড় চাঙড় ভেঙে পড়ে। কয়েকমিটার পাড় নিমেষেই তলিয়ে যায়। কয়েকদিন আগে রামরামপুরেও ভাঙন দেখা দিয়েছিল। ধীরে ধীরে গঙ্গা জনবসতি এলাকার দিকে এগিয়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষ আতঙ্কিত।
আবার, রঘুনাথগঞ্জের রাধাকৃষ্ণপুরে মাসখানেক সেভাবে ভাঙন হয়নি। এতে স্থানীয়রা কিছুটা হলেও স্বস্তিতে ছিলেন। কিন্তু এদিন সকাল থেকেই ভাঙন শুরু হয়। বিশাল এলাকাজুড়ে বড় বড় চাঙড় ভেঙে পদ্মার গ্রাসে যেতে থাকে। স্থানীয় চাষিরা জমিতে পটল, বেগুন, বাঁধাকপি সহ নানা সব্জি চাষ করেছিলেন। ইতিমধ্যে ২৫৪জন চাষি সেচদপ্তরের কাছে ক্ষতিপূরণের আবেদন জানিয়েছেন।
• নিজস্ব চিত্র