সংবাদদাতা, তেহট্ট: ঋণ দেওয়ার নাম করে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা নিয়ে পাততাড়ি গুটিয়ে দিল একটি ঋণদান সংস্থা। এই সংস্থায় ঋণের আশায় টাকা রেখে প্রতারিতরা পাঁচজনের নামে তেহট্ট থানায় অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত অভিযুক্তের নাম শিবশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। বাড়ি তেহট্ট থানার বেতাই এলাকায়। রবিবার রাতে তাকে তেহট্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার তাকে তেহট্ট আদালতে পেশ করে পুলিস। বিচারক তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। বাকি অভিযুক্তরা পলাতক।
Advertisement
পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে করিমপুর এলাকায় একটি আশা সিএইচজি নামে ঋণদান সংস্থা চালু হয়। সেই ঋণদান সংস্থা থেকে বেশ কয়েকজন মহিলা এজেন্ট নিয়োগ করা হয়। তাঁরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিভিন্ন মহিলার সঙ্গে টাকা তুলে সেই অফিসে জমা দিত। গ্রামের মহিলাদের এই বলে তারা টাকা তুলতেন যে, যে পরিমাণ টাকা জমা হবে তার ৫০ শতাংশের বেশি টাকা ঋণ পাওয়া যাবে। ওই আশায় মহিলারা টাকা জমা দেন। বেশ কিছুদিন টাকা জমা দেওয়ার পর মহিলারা ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। এরপর আজ না কাল বলে ওই ঋণদান সংস্থা তাঁদের ঘোরাতে থাকে।
এরপর মহিলারা একদিন অফিসে এসে দেখতে পায় তা তালাবন্ধ। ওই মহিলারা বুঝতে পারেন তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাঁরা খোঁজখবর করে জানতে পারেন ওই অফিসে দায়িত্বে যে ছিলেন তার নাম শিবশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। বাড়ি বেতাইয়ে। এরপর প্রতারিত মহিলারা তেহট্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়ার মিনা খাতুন নামে এক প্রতারিত বলেন, আমরা গরিব। ঋণ পাওয়ার আশায় আমরা খুব কষ্ট করে টাকা জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু ঋণ পাওয়া তো দূরের কথা আমরা জমা টাকাও ফেরত পেলাম না। বাধ্য হয়ে আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। আমরা এর বিচার চাই।
পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
এরপর মহিলারা একদিন অফিসে এসে দেখতে পায় তা তালাবন্ধ। ওই মহিলারা বুঝতে পারেন তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাঁরা খোঁজখবর করে জানতে পারেন ওই অফিসে দায়িত্বে যে ছিলেন তার নাম শিবশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। বাড়ি বেতাইয়ে। এরপর প্রতারিত মহিলারা তেহট্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়ার মিনা খাতুন নামে এক প্রতারিত বলেন, আমরা গরিব। ঋণ পাওয়ার আশায় আমরা খুব কষ্ট করে টাকা জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু ঋণ পাওয়া তো দূরের কথা আমরা জমা টাকাও ফেরত পেলাম না। বাধ্য হয়ে আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। আমরা এর বিচার চাই।
পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।



