Bartaman Logo
২০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

২ সেনার মৃত্যুর প্রতিশোধ, ইরানে হামলার ঝাঁজ বাড়ালো আমেরিকা, প্রত্যাঘাতের হুমকি মোজতবার

দুই মার্কিন সেনার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ইরানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মোজতবার হুঁশিয়ারি, পরিস্থিতি আরও জটিল। বিস্তারিত পড়ুন।

২ সেনার মৃত্যুর প্রতিশোধ, ইরানে হামলার ঝাঁজ বাড়ালো আমেরিকা, প্রত্যাঘাতের হুমকি মোজতবার
  • ২০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

তেহরান: দুই সহকর্মী খুইয়ে ভেঙে পড়তে পারে মার্কিন সেনার মনোবল। এই অবস্থায় ইরানের উপর প্রত্যাঘাত আরও তীব্র করল আমেরিকা। যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখানের পর থেকে ইরানের উপর আঘাত হানার জন্য রাতের বেলাকেই বেছে নিয়েছে ট্রাম্পের দেশ। শনিবারও তার অন্যথা হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ইরানের উপকূলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আকাশ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিকল করতে হামলাা চালানো হয়েছে। এছাড়া হামলা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন মজুত ভাণ্ডারেও। তবে ইরানের কোথায় এই হামলা হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে কাতারের সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, কিশক দ্বীপপুঞ্জের আকাশে যুদ্ধবিমান ‌উ঩ড়ে যাওয়ার শব্দ শোনা গিয়েছে। সিরিক শহরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এছাড়া ইরানের উপকূলবর্তী শহর বন্দর আব্বাস, কাশেম দ্বীপপুঞ্জেও হামলা চালানো হয়েছে। তবে থেমে নেই ইরানও। মার্কিন হুঁশিয়ারির পরই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই অন্তরাল থেকে বিধ্বংসী প্রত্যাঘাতের বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমেরিকা আক্রমণ চালিয়ে গেলে তাদের এমন শিক্ষা দেব, যে তারা কোনো দিন ভুলতে পারবে না।’ রবিবার কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্যাম্প আল-আদিরির অস্ত্র ভাণ্ডার এবং আলি আল সালেমের এয়ার ডিফেন্স র‌্যাডার নষ্ট করা হয়েছে বলে তেহরানের দাবি।  

Advertisement

শুক্রবার জর্ডন উপকূলে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়। এরপরেই চরম প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল পেন্টাগন। আর রবিবার সেন্টকম জানিয়েছে, ‘হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধার হুমকি দিয়েছে ইরান। পাশাপাশি ইরানের ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ডের হামলায় জর্ডনে দুই মার্কিন সেনাকর্মীর মৃত্যু হয়। তাই ইরানের ক্ষমতা প্রতিহত করতে মধ‌্যরাতে হামলা চালানো হয়েছে।’ আল জাজিরা জানিয়েছে, এদিনের মার্কিন হামলায় ইরানের বেশ কয়েকটি সেতু, রেল স্টেশন ও ট্রাক, সুড়ঙ্গ এবং বিমানবন্দর ধ্বংস হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ