আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গল-এ রাজস্থানি ফুড ফেস্ট
আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গল-এ রাজস্থানি ফুড ফেস্ট
রাজস্থান বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সোনালি বালিয়াড়ি আর তার মাঝে রঙিন উজ্জ্বল পাগড়ি বাঁধা উটচালকের হেঁটে যাওয়া। কখনও বা রঙিন শাড়ি পরা মহিলাদেরও দেখা যায় মাথায় মটকা বা হাঁড়ি সাজিয়ে মরুপ্রান্তর দিয়ে চলেছেন। মোটমাট রাজস্থান মানেই রঙের বাহুল্য। আর সেই কথা মাথায় রেখেই আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গল হোটেলে রাজস্থানি ফুড ফেস্টের নাম ‘রংগিলো রাজস্থান’। এই ফুড ফেস্টে যোগ দিতে শেফ কৈলাশ মীনা এসেছেন উদয়পুর থেকে। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ফুড ফেস্ট চলবে। ডিনারে পাবেন হরেক স্বাদ ও রঙের রাজস্থানি খাবার। শেফ মীনা বলেন, রাজস্থানি খাবারের দু’টি ধরন, মেওয়ারি খানা আর মারোয়াড়ি খানা। দুটো ধরনই একে অপরের চেয়ে আলাদা। তার মধ্যে নানা প্রাদেশিক খাবারও রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রচুর বৈচিত্র্য পাবেন এই রাজ্যের খাবারে। মেওয়ারি খাবারের মধ্যে পাবেন জয়াসামন্দ কি মাচ্ছি, সাংড়ি কি শাম্মি, রসগুল্লে কা সাগ, শাম্মি কাবাব, পদমপুরি মুর্গ, সাংড়ি কি কড়ি, ঘিওয়ার সহ আরও অনেক লোভনীয় পদ। মারোয়াড়ি খাবারের মধ্যে পাবেন পাঁপড় পনির কি সব্জি, ডাল বাটি চুরমা, মুর্গ মকাই কা সোটা, মুর্গ কে পর্চে, জংলি মাস, রাবড়ি, মালপোয়া সহ আরও নানা ধরনের পদ। শেফ বলেন, ‘প্রতিটি খাবারের মধ্যেই ধরা রয়েছে রাজস্থানি গ্রাম জীবনের গাথা। মরুভূমির কঠিন আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার গল্প বলে প্রতিটি পদ। রান্নায় যে ধরনের মশলা ব্যবহার করা হয় তা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ভিন্ন। শুকিয়ে নেওয়া মশলা, বাটা মশলা, গুঁড়ো মশলা এই রান্নায় নানা রঙের বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। আর সেই সবই উপভোগ করতে পারবেন এই ফুড ফেস্টে।’ এই বুফে পাবেন ১৯২৫ টাকায়, কর অতিরিক্ত।
এগারো বছরে নভোটেল
সম্প্রতি এগারো বছরের জন্মদিন পালন করল নভোটেল। এতগুলো বছর ধরে বিয়ের অনুষ্ঠান, পারিবারিক খাওয়াদাওয়া, কর্পোরেট মিটিং ইত্যাদির সুযোগ পাওয়া গিয়েছে এই হোটেলের বিভিন্ন রেস্তরাঁয়। আগামী দিনে আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য সচেষ্ট হোটেল কর্তপক্ষ। ইতিমধ্যেই পুজোর জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে এখানে। দেশি ও বিদেশি মেনু পাবেন। থাকবে বাঙালি সাজগোজ। সিঁদুর খেলার আয়োজনও করা হবে এখানে। হোটেলের রেস্তরাঁ মিনিস্ট্রি অব কাবাব-এ পাবেন ইন্ডিয়ান মেনু। আবার এই হোটেলের স্কোয়্যার রেস্তরাঁয় থাকবে বিদেশি পদ। মেনুতে পাবেন গার্লিক পেস্তো স্যালাড, বে অব বেঙ্গল ভেটকি, ফিশ অ্যান্ড চিপস, ট্যাংরা স্টাইল নুডলস, ফাড থাই, পনির টিক্কা, মুর্গ মালাই টিক্কা, মটর কা শাম্মির মতো দেশি বিদেশি পদ। পুজোয় নানারকম চাহিদা থাকে লোকের সেই মতোই স্ন্যাক্স থেকে মেন কোর্স সবরকম সাজিয়ে রেখেছে নভোটেল।
ইউয়াচায় ক্যান্টনিজ উইকএন্ড ব্রাঞ্চ
বৃষ্টির সঙ্গে একটু ঝাঁজালো, ঝাল ঝাল ক্যান্টনিজ খাবারের ভীষণ দোস্তি। এই ধরনের খাবারের স্বাদ বৃষ্টিদিনের নিঝুম প্রকৃতির মাঝে রং ঢেলে দিতে পারে নিমেষেই। সেই কথা মাথায় থেকেই এই মরশুমে ইউয়াচা রেস্তরাঁয় চলছে ক্যান্টনিজ উইকএন্ড ব্রাঞ্চ। সপ্তাহান্তে সকলেই একটু জিরিয়ে নেওয়ার ফাঁক খোঁজেন। সপ্তাহভর কাজের পর ছোট্ট একটা ব্রেক। আর সেই সুযোগ সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে পারেন এই ক্যান্টনিজ ব্রাঞ্চ সহযোগে। মেনুতে পাবেন বিভিন্ন স্বাদের আমিষ ও নিরামিষ ডিমসাম। তার মধ্যে ভেজ চাইভ ডিমসাম, শিতাকে মাশরুম ডাম্পলিং, চিকেন অ্যান্ড করিয়েন্ডার ডাম্পলিং উল্লেখযোগ্য। এছাড়া স্টার্টারে থাকবে স্টার ফ্রাই করা নানা ধরনের পদ। তার মধ্যে চিকেন, ফিশ ইত্যাদির পাশাপাশি কর্নডগ, মাশরুম সবই স্থান পেয়েছে মেনুতে। রয়েছে ক্রিসপি ডাক রোল, ব্রেইজড ওয়াটারচেস্টনাট ইন ব্রকোলি অ্যান্ড ইয়েলো মাস্টার্ড স্যস, চিকেন ইন ব্ল্যাক বিন স্যস সহ আরও হরেক পদ। বর্ষা ভেজা আবহাওয়ায় একটু গরম গরম স্যুপ পেলে কার না ভালো লাগে? সেই কথা ভেবেই এখানে থাকছে স্যুপের বাহার।
মেন কোর্সে পাবেন স্লাইসড ল্যাম্ব ইন পাটং স্যস, হট বেসিল ফ্রায়েড রাইস, পার্সলে নুডলস উইথ চিকেন ইত্যাদি। আর শেষ পাতে পাবেন ম্যাঙ্গো ম্যাকারুন, ভেলভেটি চকোলেট হেজেলনাট সহ নানা পদ।
ফোর কয়েনস কাফেতে মনসুন মাঞ্চি
বৃষ্টির মরশুমে টুকটাক খেতে চান অনেকেই। আবহাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভাজাভুজি খাওয়ার চল রয়েছে বাঙালি খাদ্যরসিক মহলে। তাছাড়া বৃষ্টিতে পথঘাটে না বেরিয়ে কাফেয় সময় কাটাতে চান কেউ কেউ। সেসব ভেবেই বর্ষণ উপযুক্ত মেনু সাজিয়ে অতিথি আপ্যায়নে প্রস্তুত ফোর কয়েনস কাফে। এখানে এই স্পেশাল মেনুতে পাবেন চিকেন চাপলি কাবাব, ড্রাগন চিকেন, চিজ বার্স্ট ভেটকি, গ্রিলড ফিশ ইন মরোক্কান স্যস, মাটন কাটলেট ইত্যাদি পদ। আর পানীয়র মধ্যে রয়েছে মোকা লাতে, অরেঞ্জ এসপ্রেসো, গ্রিন অ্যাপেল কালা খাট্টা, ইতালিয়ান স্মুচ সহ নানারকম গরম ও ঠান্ডা পানীয়। এই কাফেতে দামও পকেটসই। ফলে আবহাওয়াকে অন্যভাবে উপভোগ করতে চাইলে এই কাফেতে আসতেই পারেন। পুজোর আগে পর্যন্ত চলবে এই মেনু।