Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শব্দবাজি আটকানো যাবে কি, প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা, লাইসেন্সের আবেদন ব্যবসায়ীদের, চলবে পুলিশের অভিযান

সবুজ বাজির লাইসেন্স দিয়ে বিক্রির জায়গা ঠিক করবে জেলা প্রশাসন। কিন্তু এবার কি লাগাম টানা যাবে শব্দবাজিতে? সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা।

শব্দবাজি আটকানো যাবে কি, প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা, লাইসেন্সের আবেদন ব্যবসায়ীদের, চলবে পুলিশের অভিযান
  • ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমেন পাল, গঙ্গারামপুর: সবুজ বাজির লাইসেন্স দিয়ে বিক্রির জায়গা ঠিক করবে জেলা প্রশাসন। কিন্তু এবার কি লাগাম টানা যাবে শব্দবাজিতে? সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। কারণ, সাধারণের মনে গতবারের অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো নয়।

Advertisement

জেলার মধ্যে গঙ্গারামপুর শহরের বড়বাজার এলাকায় সবচেয়ে বড় বাজি মার্কেট। সেখান থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায় দীপাবলি ও কালীপুজোর রংবেরঙের তারাবাতি থেকে তুবড়ি ও ঝালমশলা। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী প্রত্যেক বছরই গঙ্গারামপুর শহরের নিউমার্কেট ও বুনিয়াদপুর শহরের ফুটবল মাঠ এলাকায় বাজির পসরা সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা।  যদিও এবার সেভাবে বাজির মার্কেট করতে দেখা যাচ্ছে না তাঁদের। 
গঙ্গারামপুর মহকুমায় কালীপুজো ও দীপাবলি উপলক্ষ্যে দোকান করে বিক্রির জন্য লাইসেন্স পেতে গঙ্গারামপুর মহকুমায় আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে প্রক্রিয়া।
প্রশাসন সূত্রে খবর, এবারও গঙ্গারামপুর শহরের নিউমার্কেট ও বুনিয়াদপুর শহরের ফুটবল মাঠ এলাকায় সবুজ বাজি বিক্রি শুরু হবে। অভিযোগ, সরকারি নির্দেশের পরেও সম্প্রতি দুর্গাপুজোর বিসর্জনে জেলাজুড়ে ব্যাপক শব্দবাজির ব্যবহার দেখা গিয়েছে। প্রশাসনের কড়াকড়ি সত্ত্বেও কোনওভাবে শব্দবাজি রোখা যাচ্ছে না। গঙ্গারামপুরের বাজি ব্যবসায়ী রাম জয়সওয়াল বলেন, আমরা সারা বছর ব্যবসা করি। সেজন্য নিয়ম মেনে শব্দবাজি বিক্রি করা হয়। 
শহরবাসী সর্বজিৎ গুহ বলেন, কালীপুজো ও দীপাবলি এলে কয়েকটা দিনের জন্য সবুজ বাজির কথা মনে পড়ে। তখন প্রশাসনের কড়াকড়ি দেখা যায়। কিন্তু সারাবছর যেভাবে সামাজিক ও খেলার অনুষ্ঠানে কমদামি শব্দবাজি বিক্রি হয়, তা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। কিছু লোক বেশি দাম দিয়ে সবুজ বাজি কিনবে, আর অসাধু ব্যবসায়ীরা লুকিয়ে শব্দবাজি বিক্রি করবে, সেটা চলতে পারে না। গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা বলেন, সবুজ বাজি বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীরা লাইসেন্সের আবেদন জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজির জন্য করে দেওয়া হবে আলাদা মার্কেট। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, শব্দবাজি রুখতে প্রতিটি থানা এলাকাতেই অভিযান চালানো হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ