সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: ভারত-বাংলাদেশের উম্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য রাজি হচ্ছেন না তিনটি গ্ৰামের বাসিন্দারা। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের দক্ষিণ বেরুবাড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েতে কাঁটাতারবিহীন উম্মুক্ত সীমান্ত রয়েছে ১৬ কিমি। তারমধ্যে ১৩ কিমি কাঁটাতারের বেড়া ও সড়ক নির্মাণে জমিদানে বাসিন্দারা সম্মতি জানিয়েছেন। কিন্তু বনগ্ৰাম, ডাকের কামাত ও মনিঙ্গাপাড়ার বাসিন্দারা ৩ কিমি কাঁটাতারের বেড়া ও সড়ক নির্মাণে জমিদানে সম্মতি জানাচ্ছেন না।
২০১৫ সালে ভারত বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় চুক্তির পর বনগ্ৰাম, ডাকের কামাত ও মনিঙ্গাপাড়া এই তিন গ্ৰাম ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই তিন গ্ৰামের বাসিন্দারা বলেন, আমরা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দিতে রাজি আছি। কিন্তু আমাদের জমির খতিয়ান সহ কাগজপত্র তৈরি করে দিতে হবে। তবেই আমরা ৩ কিমি উম্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ও সড়ক পথ নির্মাণের সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করব।
এবিষয়ে বনগ্ৰাম ও ডাকের কামাতের বাসিন্দা বীরেন কুমার রায় ও ভবতোষ রায়রা বলেন, ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় চুক্তির পর আমরা জমির জন্য ভারতের কোনও বৈধ কাগজপত্র পাইনি। এমতাবস্থায় আমরা যদি উম্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ও সড়ক পথ নির্মাণের জন্য জমি দিই তবে সরকারের কাছ থেকে জমির কোনও ক্ষতিপূরণ পাব না। তাই আমরা সবাই চাইছি সরকার আমাদের জমিগুলির কাগজপত্র করে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। তবেই আমরা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করব।
যদিও এবিষয়ে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বিডিও মিহির কর্মকার বলেন, উম্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য সবাই জমি দিতে রাজি হয়েছেন। দু’একজন অরাজি থাকতে পারেন। বিষয়টি আমার জানা নেই।