Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজিমগঞ্জ জংশনে পুজোর সময়ের ট্রেনের টিকিট বুকিং করতে এসে হয়রান বাসিন্দারা

আজিমগঞ্জ জংশন স্টেশনে পুজোর সময়ের জন্য টিকিট বুকিং করতে এসে মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কখনও রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কনফার্মড টিকিট পাচ্ছেন না।

আজিমগঞ্জ জংশনে পুজোর সময়ের ট্রেনের টিকিট বুকিং করতে এসে হয়রান বাসিন্দারা
  • ৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, লালবাগ: আজিমগঞ্জ জংশন স্টেশনে পুজোর সময়ের জন্য টিকিট বুকিং করতে এসে মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কখনও রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কনফার্মড টিকিট পাচ্ছেন না। অনেকসময় টিকিট বুকিং না হওয়ায় কাউন্টারের সামনেই যাত্রীরা হইচই বাঁধিয়ে দিচ্ছেন। যাত্রীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে টিকিট কাউন্টারের কর্মীদের মধ্যেও অসন্তোষ দানা বাঁধছে। রেলের কাউন্টারে টিকিট বিক্রি তলানিতে এসে ঠেকেছে। হয়রানি এড়াতে সাইবার ক্যাফেতে ছুটছেন অনেক যাত্রী।

Advertisement

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত বলেন, দেশজুড়ে একসঙ্গে বুকিং শুরু হয়। ফলে টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে হতাশার কোনও কারণ নেই। পুজো স্পেশাল বেশ কিছু ট্রেন চালানো হবে।
১ আগস্ট থেকে রেলের পুজো বুকিং শুরু হয়েছে। পুজোর ছুটির কয়েকটা দিন অনেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পাড়ি দেন, তেমনই অনেকে ওই সময়েই দক্ষিণ ভারতে চিকিৎসা করাতে যান। তাই ৩১জুলাই রাত থেকেই স্টেশনে স্টেশনে পুজোর বুকিংয়ের জন্য টিকিট কাউন্টারের সামনে যাত্রীদের লম্বা লাইন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে প্রথমদিন থেকেই পূর্ব রেলের আজিমগঞ্জ জংশন স্টেশনে পুজোর টিকিট বুকিং করতে এসে যাত্রীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
রেল কর্তৃপক্ষ শুক্রবার থেকে নতুন সিস্টেমে পুজোর টিকিট বুকিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে। এই নতুন সিস্টেমে টিকিট বুকিংয়েই সমস্যা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলকর্মী বলেন, এই স্টেশনের কাউন্টারে গত তিনদিনে একটি টিকিটও কনফার্ম হয়নি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ‘ওয়েটিং’ বা ‘রিজেক্টেড’ দেখাচ্ছে। সমস্যা সমাধানে পিআরএস কনসোলে ফোন করা হলেও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।
পুজোর ছুটিতে পরিবার নিয়ে সপ্তাহখানেকের জন্য দার্জিলিং বেড়াতে যাবেন বলে ঠিক করেছেন সাগরদিঘির বাসিন্দা মনোতোষ ঘোষ। পেশায় স্কুলশিক্ষক মনোতোষবাবু টিকিট বুকিংয়ের জন্য শনি ও রবিবার-দু’দিন আজিমগঞ্জ জংশনে এসে ঘুরে গিয়েছেন। অবশেষে বহরমপুরের একটি সাইবার ক্যাফে থেকে টিকিট কেটেছেন। মনোতোষবাবু বলেন, পরপর দু’দিন ভোরবেলা থেকে চারঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পাইনি। বাধ্য হয়ে বহরমপুরে এক বন্ধুর সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে টিকিট কাটলাম। বারালার বাসিন্দা মনোজ দাস বলেন, পুজোর পরে মাকে চিকিৎসার জন্য বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু, টিকিট কনফার্ম হয়নি। এবিষয়ে আজিমগঞ্জ জংশন স্টেশনের বুকিং সুপারভাইজার দেবদুলাল ভট্টাচার্য কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ