সংবাদদাতা, হবিবপুর: পুনর্ভবার ভাঙনের ফলে ভাঙতে বসেছে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ঐতিহ্যবাহী কলাইবাড়ি শ্মশান। সার্বিকভাবে শ্মশানটি বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন। রাতে নেই আলোর ব্যবস্থা। অবিলম্বে সেটি সংস্কারের দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা।
সংবাদদাতা, হবিবপুর: পুনর্ভবার ভাঙনের ফলে ভাঙতে বসেছে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ঐতিহ্যবাহী কলাইবাড়ি শ্মশান। সার্বিকভাবে শ্মশানটি বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন। রাতে নেই আলোর ব্যবস্থা। অবিলম্বে সেটি সংস্কারের দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা।
হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কলাইবাড়ি এলাকার সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় শ্মশানটি অবস্থিত। তবে সেটি মালদহ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। শ্রীরামপুর, ধূমপুর, কানতুর্কা ও জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারাদাহ করতে নিয়মিত এখানে আসেন। পুনর্ভবা নদীর তীরে অবস্থিত শ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্ষাকালে মরদেহ নিয়ে এসে নাজেহাল হতে হয় শ্মশান যাত্রীদের। প্রায় সাত বছর আগে বিধায়ক তহবিল থেকে চুল্লির উপরে একটি ছাউনির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বন্যায় পুনর্ভবার জলে প্লাবিত হয় এলাকাটি। তখন অনেক জায়গা ধসে গিয়েছে। সার্বিকভাবে সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে ঐতিহ্যবাহী শ্মশানটি।
কলাইবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সনাতন বিশ্বাস বলেন, অবিলম্বে শ্মশান সংলগ্ন নদীর পাড় বাঁধানোর প্রয়োজন রয়েছে। রাতে চারিদিকে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। লাইটের কোনও ব্যবস্থা নেই। অন্ধকারে মরদেহ নিয়ে এলে সীমান্তের বিএসএফ জওয়ানেরা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। অবিলম্বে শ্মশানটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
শ্মশানটির সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে মেনে নিয়েছেন মালদহের বিধায়ক গোপাল চন্দ্র সাহা। তাঁর কথায়, বাসিন্দাদের কাছ থেকে সমস্যার বিষয়টি শুনেছি। ইতিমধ্যেই বিধায়ক তহবিল থেকে সেখানে একটি হাইমাস্ট লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। শ্মশানটিকে নতুন করে সাজানোর বিষয়টি জেলাশাসককে লিখিতভাবে জানাব। প্রয়োজনে বিষয়টি বিধানসভাতেও তুলব। নিজস্ব চিত্র