Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বর্তমান’ এর খবর, নড়েচড়ে বসল পূর্তদপ্তর, তড়িঘড়ি বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কে সংস্কার শুরু

বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কের বেহাল অংশ মেরামতে পূর্তদপ্তর উদ্যোগী হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমেই নতুন করে সংস্কারকাজ হচ্ছে। ১৪০কোটি টাকা খরচে ওই সড়ক সংস্কার শুরুর কয়েকমাসের মধ্যেই কিছু অংশ বেহাল হয়ে পড়েছিল।

‘বর্তমান’ এর খবর, নড়েচড়ে বসল পূর্তদপ্তর, তড়িঘড়ি বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কে সংস্কার শুরু
  • ১১ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কের বেহাল অংশ মেরামতে পূর্তদপ্তর উদ্যোগী হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমেই নতুন করে সংস্কারকাজ হচ্ছে। ১৪০কোটি টাকা খরচে ওই সড়ক সংস্কার শুরুর কয়েকমাসের মধ্যেই কিছু অংশ বেহাল হয়ে পড়েছিল। এনিয়ে মঙ্গলবার ‘বর্তমান’ পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়। এরপরই পূর্তদপ্তর নড়েচড়ে বসে। তড়িঘড়ি সড়কের বেহাল অংশ মেরামত শুরু হয়। পূর্তদপ্তরের সক্রিয়তায় এলাকার বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা খুশি।

Advertisement

ওই রাজ্য সড়ক সংস্কার শুরুর পর বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বেশ কিছু বিষয় নিয়ে পূর্তদপ্তরের আধিকারিকদের সতর্ক করেছিলেন। মাটির চরিত্র অনুযায়ী রাস্তা সংস্কার করা উচিত ছিল বলে সাংসদ মনে করছেন। তাঁর দাবি, স্থানীয়দের দাবি মেনে কিছু জায়গায় বিটুমিনাসের বদলে পেভার ব্লক বসানো উচিত ছিল। তা না হওয়ার কারণেই জায়গায় জায়গায় পিচ উঠে গিয়েছে। এতে তিনি পূর্তদপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
পূর্তদপ্তরের বিষ্ণুপুর ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার এক আধিকারিক বলেন, একবছর ধরে রাজ্য সড়ক সংস্কার চলেছে। ঠিকাদার সংস্থা এখনও রাস্তাটি আমাদের হস্তান্তর করেনি। সেজন্য তারাই রাস্তার বেহাল অংশ মেরামত করে দিচ্ছে। মঙ্গলবার সারেঙ্গা ব্লকের পি মোড়ের কাছে রাস্তা সারাই হয়েছে।
সারেঙ্গার বাসিন্দা বিভাস মণ্ডল, সুকোমল কুণ্ডু বলেন, নতুন করে রাস্তা সংস্কার হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে। পূর্তদপ্তরের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
বাঁকুড়ার সাংসদ বলেন, এই কাজের উপর প্রথম থেকেই নজর রেখেছিলাম। সিমলাপাল থেকে রাইপুর পর্যন্ত কৃষিপ্রধান এলাকা। সেখানে মাটি নরম প্রকৃতির। তাছাড়া, ওই সড়কের কিছু অংশ নিচু হওয়ায় বৃষ্টির জল বয়ে যায়। সেজন্য রাইপুর বাজার, ফুলকুসমা সহ বেশকিছু জায়গায় পিচ বা বিটুমিনাসের বদলে পেভার ব্লক, ঝামা ইট বা ওই জাতীয় কিছু দিয়ে সংস্কার করলে ভালো হতো। তা না হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। রাস্তা দিয়ে জল বয়ে যাওয়ায় পিচ নরম হয়ে যাচ্ছে। পরে ভারী গাড়ির চাকার চাপে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা এনিয়ে আমার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আমি এবিষয়ে পূর্তদপ্তরের ‌঩ইঞ্জিনিয়ারদের চিঠি পাঠিয়েছি।
পূর্তদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, সাংসদের কথা সঠিক। বাঁকুড়ার পশ্চিমদিকের নানা ব্লকের তুলনায় সারেঙ্গা, রাইপুরের মাটি নরম। ওই রাজ্য সড়কের কিছু অংশে সমস্যা রয়েছে। বারবার সংস্কার করলেও রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ছে। কিন্তু কাজ শুরুর আগে অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা সমীক্ষা করেছিলেন। সবদিক খতিয়ে দেখার পরই এস্টিমেট তৈরি হয়েছিল। সেইমতোই প্রকল্প রূপায়িত হচ্ছে। আমরা সাংসদের পরামর্শ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। • নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ