ওয়াশিংটন: ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে হামলার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ার চলতি সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র অভিযোগ এনে ফুঁসছে তেহরানও। আমেরিকাকে এর যোগ্য জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। আর এতে চাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ইতিমধ্যে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে জারি হয়েছে সতর্কতা। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে শান্তির পথে ফেরার আবেদন করেছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে হুমকির সুর শোনা গিয়েছে তাঁর বক্তব্যে। জানিয়েছেন, আমেরিকার উপরে ইরান কোনও পাল্টা আক্রমণ করলে তার ফলাফল হবে ভয়াবহ। ‘মনে রাখবেন, টার্গেট করার মতো এখনও অনেক কিছু বাকি আছে’, মন্তব্য ট্রাম্পের।
মার্কিন বোমারু বিমানগুলি যখন ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালাচ্ছিল, তখন হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুমে’ ছিলেন ট্রাম্প। ভাইস-প্রেসিডেন্ট সহ প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছিলেন তিনি। ‘সফলভাবে’ মার্কিন বিমানগুলি ইরানের আকাশসীমা ছাড়ার পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযানের কথা খোলসা করেন। এর পরে হোয়াইট হাউজ থেকে ভাষণ দেন। ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন ‘এভাবে চলতে পারে না। হয় শান্তির পথে ফিরবে, নয়তো ইরানে ট্র্যাজেডি ঘটবে। গত আট দিনে আমরা যা দেখেছি, তার চেয়েও সেটা অনেক বেশি ভয়াবহ হবে।’
এর মধ্যে আমেরিকার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে তেহরান। যার জবাবে পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘আমেরিকার বিরুদ্ধে ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার কোনও চেষ্টা করলে আজ রাতে যা দেখা গিয়েছে, তার চেয়েও কড়া জবাব দেওয়া হবে।’