নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাগবাজারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ঢুকে গ্রাহকের ব্যাগ চুরির অভিযোগ উঠল। ওই ব্যাগে নগদ টাকা, এটিএম কার্ড, সোনার অলংকার ছিল। এই ঘটনায় শ্যামপুকুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ওই গ্রাহক। এই ঘটনায় টনক নড়েছে কলকাতা পুলিশের। এই পরিস্থিতিতে নয়া উদ্যোগ নিল পুলিশের নর্থ ও নর্থ সাবার্বান ডিভিশন। বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক সংস্থা ও স্বর্ণ ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলিতে এবার থেকে নিয়মিত টহলদারি চালাবেন উর্দিধারীরা। সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সায়ক দাস এই নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর অধীনে থাকা আটটি থানা নিজস্ব এলাকায় এই টহলদারি অভিযান চালাবে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ব্যাংক ও আর্থিক সংস্থাগুলির ভিতরে ও আশপাশে নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
ইতিমধ্যেই গত দু’দিন নর্থ ও নর্থ সাবার্বান ডিভিশনের অন্তর্গত শ্যামপুকুর, টালা, কাশীপুর, চিৎপুর, সিঁথি, বড়তলা থানা তাদের এলাকার ব্যাংকগুলিতে অভিযান চালিয়েছে। সেখানকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন উর্দিধারীরা। শুধু তাই নয়, ব্যাংক ও আর্থিক সংস্থাগুলিতে কর্মরত অস্থায়ী কর্মীদের তথ্য যাচাই করেন স্থানীয় থানার আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যাংক ও আর্থিক সংস্থাগুলিতে সিসি ক্যামেরার সংখ্যা কত, সবকটি সক্রিয় রয়েছে কি না, সবটাই খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম ঠিক মতো বাজে কি না, তাও যাচাই করা হয়। প্রতি মাসেই এই অভিযান চলবে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, আর্থিক সংস্থা, ঋণ প্রদানকারী সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলির নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও বাগবাজারে ব্যাংকে চুরির ঘটনার প্রতি বাড়তি তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি এড়িয়ে যান। তাঁর বক্তব্য, এটি রুটিন নজরদারি।