নয়াদিল্লি: কয়েকদিন আগেই ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেস টেস্টের ব্যবস্থা করেছিল বিসিসিআই। বেঙ্গালুরুতে বোর্ডের সেন্টার ফর এক্সেলেন্সে রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, যশপ্রীত বুমরাহ সহ একাধিক ক্রিকেটারের ‘ইয়ো ইয়ো’ টেস্ট হয়। তবে ছিলেন না বিরাট কোহলি। তাঁর জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। লন্ডন থেকেই অনলাইনে ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন বিরাট। পাসও করেছেন। তবে তাঁর জন্য বিশেষ সুবিধা কেন, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে বিসিসিআই।
সপরিবারে লন্ডনেই থাকেন কোহলি। বোর্ডের কাছে তিনি অনুরোধ করেছিলেন, বিলেত থেকেই অনলাইনে যাতে তাঁর ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বিসিসিআইয়ের সবুজ সংকেত মেলার পর বেঙ্গালুরুর সেন্টার ফর এক্সেলেন্সের ট্রেনারদের পর্যবেক্ষণেই কোহলি ‘ইয়ো ইয়ো’ টেস্ট দেন ও পাস করেন। কিন্তু কোহলিকে বিশেষ ছাড় দেওয়া নিয়ে অনেকেই বিরক্ত। সমাজমাধ্যমে অনেকে লিখেছেন, অনলাইনে টেস্ট নিয়ে কি বোঝা সম্ভব ক্রিকেটারটি কতটা ফিট? এই সুবিধা তো আগামী দিনে অন্য ক্রিকেটাররাও দাবি করবেন!
এদিকে, আইপিএল জেতার পর বেঙ্গালুরুতে বিজয়োৎসবে মেতে উঠেছিলেন বিরাট কোহলিরা। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিলেন ১১ জন। তা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। আদালত পর্যন্ত জল গড়িয়েছে। ৪ জুন ঘটে যাওয়া সেই হৃদয় বিদারক ঘটনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন কোহলি। তিনি বলেছেন, ‘সেদিনের ঘটনা আমাকে গভীরভাবে আহত করেছে। সেই ধাক্কা এত তাড়াতাড়ি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। প্রথমবার আইপিএল জেতার পর আমরা সমর্থকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে চেয়েছিলাম। আমাদের দলের জন্য যা সেরা খুশির মুহূর্ত হওয়ার কথা ছিল, সেটাই বদলে গেল বেদনায়। যাঁদের হারিয়েছি, তাঁদের কথা সব সময় মনে পড়ে। তাঁদের জন্য প্রার্থনা করি। যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদেরও কথাও ভাবি। আপনাদের ক্ষতি আমাদের কাহিনিরই একটা অংশ। যত্ন, সমীহ ও দায়িত্ব নিয়ে আমরা একসঙ্গে আগামীর দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’