হারারে: অবশেষে জয়ের দেখা পেলেন ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ার। ভারতের টি-২০ দলের অধিনায়ক হিসেবে অষ্টম ম্যাচে এল সাফল্য। বৃহস্পতিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ৪০ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে বশ মানাল টিম ইন্ডিয়া। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরপর দুই সিরিজে মোট ৬টি ম্যাচে দুরমুশ হওয়ার নিরিখে যা কিছুটা হলেও স্বস্তির। উলটোদিকে যদিও দুর্বল জিম্বাবোয়েই!
এদিনের জয়ে বড়ো ভূমিকা থাকল বৈভব সূর্যবংশীর। দেশের জার্সিতে প্রথম পঞ্চাশ এল তার ব্যাটে। একইসঙ্গে গড়ের নিরিখে রেকর্ডও। কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার (১৫ বছর ১১৮ দিন) হিসাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাফ-সেঞ্চুরি করল বৈভব। লাগল ১৮ বল। অবশ্য তার পরের ডেলিভারেতই আউট হয় সে। ১৯ বলের ইনিংস সাজানো ৪টি চার ও ৬টি ছক্কায়। ১২৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে বৈভবের মারমার কাটকাট ইনিংসের সুবাদেই ১৩.২ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছায় ভারত (১২৬-৩)। অভিষেক শর্মা (১) দ্রুত ফিরলেও রান পান ঈশান কিষান (৩৫) ও ক্যাপ্টেন শ্রেয়স (অপরাজিত ২৮)। জয়সূচক রান আসে তিলক ভার্মার (অপরাজিত ৬) ব্যাটে। কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলা ব্লেসিং মুজারাবানি ২৬ রানে নেন দু’উইকেট।
ম্যাচের সেরা অবশ্য বৈভব নন, মায়াঙ্ক যাদব। চোট সারিয়ে দু’বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে রাখলেন তিনি। জিম্বাবোয়ের ইনিংসের প্রথম বলেই আঘাত হানেন ২৪ বছর বয়সি। তাঁর বোলিং গড় এমন ৪-০-১৮-২। প্রিন্স যাদবও নেন দু’উইকেট। অভিষেককারী অশোক শর্মা (০-২৯) যদিও উইকেটহীন থাকলেন। একসময় ৩২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল জিম্বাবোয়ের। সেখান থেকে রায়ান বার্ল (২৬) এবং ওয়েসলি মাধেভেরের (৩৯) ভদ্রস্থ করেন ইনিংস। তাদিওয়ানাশি মারুমানির সংগ্রহ ২৭। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১২৫ রানে থামে হোমটিম। যা ভারতকে হারানোর পক্ষে যথেষ্ট ছিল না। জয়ের পর অধিনায়ক শ্রেয়স বলেন, ‘ছেলেরা অসাধারণ খেলেছে। ক্যাপ্টেন হিসেবে প্রথম জয়, দারুণ খুশি।’