বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য: রাত পোহালেই মরশুমের প্রথম ডার্বি। বড়ো ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন। ফুটবলার তো বটেই, কোচ হিসাবেও বহু মহারণের সাক্ষী। কিন্তু এমন উদাহরণ বিরল। দুই দলই সবে প্রি-সিজন শুরু করেছে। ফুটবলারদের ফিটনেসে ঘাটতি স্বাভাবিক। তার উপর বেশিরভাগ বিদেশি ফুটবলার এখনও ভিসা পায়নি। ব্যক্তিগত মত, কয়েকদিন পর ম্যাচটা হলেই ভালো হত। আসলে কলকাতা ডার্বিই ভারতীয় ফুটবলের সেরা বিজ্ঞাপন। টুর্নামেন্ট জমাতে এর বিকল্প নেই। হাইপ তুলতে ডুরান্ড ম্যানেজমেন্টও একই রাস্তায় হাঁটছে। বড়ো ম্যাচ বাঙালির আবেগ। সমর্থকদের উন্মাদনা, উত্তেজনা স্বাভাবিক। প্রাক্তন ফুটবলার হিসাবে অনুরোধ, বিষয়টি নিয়ে নতুনভাবে ভাবা উচিত। নিজেদের স্বার্থে ডার্বির আবেগকে বলি দেবেন না। কলকাতার দুই প্রধানেই এবার নতুন কোচ। গ্রিক কোচ পানোস মোহন বাগানের দায়িত্বে। ইস্ট বেঙ্গলের ভরসা সবুজ-মেরুনের প্রাক্তনী আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। কিন্তু অবাক করা তথ্য, প্রস্তুতির জন্য এক সপ্তাহও সময় পাচ্ছেন না তাঁরা। ফুটবল বিজ্ঞান, ম্যাজিক নয়। প্রি-সিজন গোটা মরশুমের ভিত। অন্তত দেড়মাস নিবিড় প্রস্তুতি জরুরি। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তা অসম্ভব। তড়িঘড়ি ম্যাচ খেলতে হওয়ায় পরিকল্পনা ধাক্কা খেতে বাধ্য। বৃষ্টিভেজা ভারি মাঠে লোড নিতে গিয়ে ফুটবলারদের পেশিতে টান ধরাও অস্বাভাবিক নয়। তাই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।



