


বেঙ্গালুরু: হাই-স্কোরিং ম্যাচে মুম্বইকে হারানোর পর মনোবল তুঙ্গে বিরাট কোহলিদের। চারটি খেলে তিনটিতে জয়। বুধবার ঘরের মাঠে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে শীর্ষস্থান দখলের সুযোগ বিরাট কোহলিদের সামনে। আপাতত ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে রাজস্থান (+০.৮৮৯)। চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পাঞ্জাব (+০.৭২০)। সমসংখ্যক ম্যাচে বেঙ্গালুরুরও ৬ পয়েন্ট। তবে রজত পাতিদারদের নেট রান রেট খুবই ভালো (+১.১৪৮)। তাই লখনউকে হারালে রাজস্থানের সঙ্গে সমান পয়েন্ট হবে কোহলিদের। কিন্তু নেট রান রেট বেশি থাকায় বেঙ্গালুরু বসবে মগডালে।
ফিল সল্ট ফর্মে ফেরায় আরসিবি’র ব্যাটিং আরও মজবুত দেখাচ্ছে। গত ম্যাচে সল্ট ৩৬ বলে করেছিলেন ৭৮। কোহলি ও রজত পাতিদারের হাফ-সেঞ্চুরিকে বেঙ্গালুরু তুলেছিল ২৪০। তাছাড়া চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোটো। চার-ছক্কা হয় অনেক বেশি। সেই সমীকরণে বুধবারও হাই-স্কোরিং ম্যাচ হতে পারে। টিম ডেভিড, জিতেশ শর্মা, রোমারিও শেফার্ডের মতো মারকুটে ব্যাটাররা মিডল অর্ডারে বড় ভরসা। বেঙ্গালুরুর বোলিংয়ে অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার রয়েছেন। দুই স্পিনার ক্রুণাল পান্ডিয়া ও সুয়াশ শর্মা।
লখনউ গত ম্যাচ হেরে বেশ চাপে। এমনিতেই দুই বিদেশি ওপেনার মার্করাম ও মিচেল মার্শ ছন্দে নেই। ফলে চাপে পড়ে যাচ্ছেন ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থ। ক্যারিবিয়ান তারকা নিকোলাস পুরানও ব্যাটিং অর্ডার বদলানোর পর ফর্ম হাতড়াচ্ছেন। তবে কাগজে-কলমে লখনউ খুবই শক্তিশালী দল। শুরুটা ভালো হলে কিন্তু পুরানরাই কাঁদিয়ে ছাড়বেন কোহলিদের। তার উপর কেকেআরের বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতানোর পর মুকুল চৌধুরিকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে ক্রিকেট মহলে। তিনিও থাকবেন নজরে।
বোলিংয়ে লখনউয়ের বড় ভরসা মহম্মদ সামি। পেসের বৈচিত্রে তিনি এখনও পর্যন্ত সফল। কিন্তু বাকিরা? একেবারেই পাতে দেওয়ার মতো নয়। প্রিন্স যাদব, আভেশ খানরা শুধুই ভিড় বাড়াচ্ছেন। স্পিনে ভরসা সেই দিগ্বেশ রাঠি।