Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

আইএসএল আয়োজন করবে ক্লাব জোট, কমতে চলছে বিদেশির সংখ্যা

আইএসএল আয়োজনে ক্লাব জোটের প্রস্তাব, বিদেশি ফুটবলার কমানোর সম্ভাবনা। ফুটবলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। বিস্তারিত পড়ুন।

আইএসএল আয়োজন করবে ক্লাব জোট, কমতে চলছে বিদেশির সংখ্যা
  • ৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার হিসাবে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন রায়ান উইলিয়ামস। এবার ক্লাব ফুটবলেও  পিআইও কোটা বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। সোমবার নয়াদিল্লির ফুটবল হাউসে ফেডারেশনের মেগা বৈঠকে এমনই প্রস্তাব দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, বেশ কিছু ক্লাব প্রাথমিক সম্মতিও দিয়েছে। সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে আইএসএল। পাশাপাশি কমানো হতে পারে বিদেশি ফুটবলারের সংখ্যা। এর আগে আইএসএলে ৬ বিদেশি নথিভুক্ত করিয়ে ৪ জনকে প্রথম দলে খেলানো যেত। খরচ কমাতে এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলি বিদেশি সংখ্যা কাটছাঁটের পথেই হাঁটতে পারে। শুধুমাত্র ভারতীয় স্কোয়াড নিয়ে ডুরান্ড কাপে খেলার প্রস্তাবও উঠছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট বেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। অন্যদিকে, মোহন বাগান সভাপতি দেবাশিস দত্তের মন্তব্য, ‘জট কাটিয়ে পুরোদমে আইএসএল শুরু হবে। ফুটবলের জন্য দারুণ খবর।’

Advertisement

ভারতীয় ফুটবলে কমার্শিয়াল পার্টনারের সমস্যা দীর্ঘদিনের। জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে কথা অনেকদূর এগিয়েও থমকে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আইএসএল আয়োজনে উৎসাহ দেখায় ক্লাব জোট। জট কাটাতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকও। সপ্তাহের প্রথম দিন ফেডারেশন ও ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি প্রফুল প্যাটেলও ক্লাবজোটের হয়েই ব্যাট করতে নামেন। সূত্রের খবর, দীর্ঘকালীন চুক্তিতে আগামী ৪ বছরের জন্য শীর্ষ লিগ আয়োজন করবে ক্লাব জোটই। আগামী সেপ্টেম্বরে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা। এক সপ্তাহের মধ্যে ফেডারেশন ও জোটের চুক্তি হওয়ার কথা। ঠিক হয়েছে, ৭-৮ সদস্যের কমিটি আইএলএল চালাবে। স্বত্ব হিসাবে প্রতি বছর ফেডারেশনকে কমপক্ষে ১৫ কোটি দেবে তারা। পার্টিসিপেশন ফি হিসাবে ১.৫ কোটি টাকা দিতেও রাজি জোট কর্তারা। তবে মেগা বৈঠকে ফেডারেশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। এআইএফএই স্বশাসিত সংস্থা। কিন্তু আইএসএল আয়োজনে নাজেহাল তারা। বারবার ক্লাবজোটের চাপে কার্যত নতিস্বীকার করেছে ফেডারেশন। জট কাটাতে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ আসলে ফেডারেশনের দুর্বলতাকেই প্রকাশ করে। দরপত্রের প্রক্রিয়া মেনেই কমার্শিয়াল পার্টনার হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল জিনিয়াস স্পোর্টস। এখন জোট কর্তাদের চাপে দিশাহারা ফেডারেশন। জিনিয়াসের কাছে এখন ফেডারেশনের মুখ লুকানোর জায়গা নেই। শেষবেলায় কোনোরকমে তাদের সন্তুষ্ট করতে মরিয়া ফেডারেশন কর্তারা।

সম্পর্কিত সংবাদ