Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাট হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠান ঘিরে উন্মাদনা

শনিবার বর্ণময় কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে ঐতিহ্যবাহী রামপুরহাট হাইস্কুলের ১৪০তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল

রামপুরহাট হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠান ঘিরে উন্মাদনা
  • ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: শনিবার বর্ণময় কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে ঐতিহ্যবাহী রামপুরহাট হাইস্কুলের ১৪০তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মহকু মাশাসক সৌরভ পাণ্ডে সহ বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষকরা। পুষ্পচন্দন ও উত্তরীয় পরিয়ে তাঁদের বরণ করে নেয় পডুয়ারা। উপস্থিত ছাত্র ও অভিভাবকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। একই সঙ্গে রসায়নবিদ, শিক্ষক, দার্শনিক ও কবি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মদিবস উপলক্ষ্যে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ। 

Advertisement

উদ্বোধনী ভাষণ ও স্কুলের বার্ষিক প্রতিবেদন পাঠ করেন প্রধানশিক্ষক আব্দুল আলম। প্রতিবেদনে, সময়ের ভারে জীর্ণ এই স্কুলের উন্নতির প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অবদান, বিধায়ক সহ অন্যান্য সকলের সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি আরশাদ হোসেন, প্রাক্তন শিক্ষক তথা রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক নিখিলকুমার সিংহ, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান, বিশিষ্ট সমাজকর্মী নীহার মুখোপাধ্যায়, সৈয়দ সিরাজ জিম্মি প্রমুখ। এদিন সঙ্গীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করে মুগ্ধতায় ভরিয়ে তোলেন স্কুলের বাংলার শিক্ষক হৃদয় রায়। অতীত ও বর্তমান গৌরবের কথা তুলে ধরেন আরশাদ সাহেব। অতিথিবৃন্দও বিদ্যালয়ের বর্তমান সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্কুল জীবনে ফিরে যান আশিসবাবু। 
নানা স্মৃতিচারণার পাশাপাশি তিনি বলেন, এই স্কুল আমার কাছে গর্বের ও অহংকারের। এই স্কুল আমাকে রক্তব্য রাখতে শিখিয়েছে। ভাষা জুগিয়েছে, এগিয়ে চলার মন্ত্র শিখিয়েছে। স্কুলের অবদান কোনওদিন ভোলার নয়। আগামীদিনে এই স্কুল শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রদের প্রচেষ্টায় আরও সমৃদ্ধ হবে। এদিন স্কুলের ২০২৪ বার্ষিক পরীক্ষায় পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির প্রথম স্থানাধিকারী এবং এবছর মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে স্কুলে প্রথম দুই ছাত্রকে পুরস্কৃত করা হয়। সেইসঙ্গে বিষয় ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপক এবং এনসিসি বিভাগের বেস্ট ক্যাডেটকেও পুরস্কৃত করা হয়। 
 ছাত্রের হাতে বই তুলে দিচ্ছেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।  -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ