Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রতি সপ্তাহে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির রিপোর্ট দিতে নির্দেশ মহকুমা শাসকের

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি ঠিকমতো চলছে কি না, এবার থেকে তা নিয়মিত পরিদর্শনের করে সপ্তাহের শেষে রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে মহকুমা শাসককে। তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাট তৈরি করে ব্লক প্রকল্প আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছে।

প্রতি সপ্তাহে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির রিপোর্ট দিতে নির্দেশ মহকুমা শাসকের
  • ২৫ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি ঠিকমতো চলছে কি না, এবার থেকে তা নিয়মিত পরিদর্শনের করে সপ্তাহের শেষে রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে মহকুমা শাসককে। তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাট তৈরি করে ব্লক প্রকল্প আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে রামপুরহাট শহরে কয়েকটি সেন্টারের স্থায়ী বিল্ডিং নেই। ভাড়াতে ঘরও মিলছে না। এমত অবস্থায় আপাতত দু’-তিনটি সেন্টারকে একটি জায়গায় চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন রামপুরহাট মহকুমা শাসক সৌরভ পান্ডে। 

Advertisement

গত ১৩ জুন রামপুরহাট শহরের একাধিক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আচমকা পরিদর্শন করেন মহকুমা শাসক। বেশ কয়েকটা কেন্দ্রের হাল দেখে প্রকা঩শ্যেই বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। কোথাও খোলা আকাশের নীচে রান্না করা হচ্ছে,  কোথাও শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের হাতে শুকনো খাবার ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীই আসেন না। অথচ নিয়মানুযায়ী রান্না করা পুষ্টিকর খাবার তুলে দেওয়ার কথা। এতদিন এই অনিয়মের কোনও খবর ছিল না প্রশাসনের কাছে। সম্প্রতি অভিভাবকদের অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন মহকুমা শাসক। অভিভাবকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, সব্জি, তেল, মশলা, জ্বালানির খরচ বাবদ সরকারি টাকা যাচ্ছে কোথায়। 
এদিকে যে সমস্ত সেন্টারের নিজস্ব বিল্ডিং নেই, তারা ঘর ভাড়া নিতে পারে। ভাড়ার টাকা দেবে সরকার। মে মাস থেকেই অধিকাংশ কেন্দ্রের কর্মীরা ঘর ভাড়া নিয়ে সেন্টার চালাচ্ছেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে কর্মীরা খোলা আকাশের নীচেই সেন্টার চালাচ্ছেন। মহকুমা শাসককে তাঁরা জানিয়েছেন, চেষ্টা করেও ঘর ভাড়া পাচ্ছেন না। এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী বলেন, রান্নাঘর, ডাইনিং, গোডাউন, টয়লেট মিলিয়ে সরকার মাস প্রতি ভাড়া দেবে পাঁচ হাজার টাকা। শহরে ওই টাকায় ঘর পাওয়া মুশকিল। এই পরিস্থিতিতে মহকুমা শাসক বলেন, আপাতত যে সেন্টারের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে, সেখানে দু’-তিনটি সেন্টারকে একসঙ্গে চালানো যেতে পারে। 
গত সোমবার ময়ূরেশ্বর ২ ব্লকের ১২-১৩টি সেন্টারে আচমকা পরিদর্শন করেন মহকুমা শাসক। তিনি বলেন, সেখানে পরিকাঠামোগত তেমন কোনও সমস্যা না থাকলেও কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলি প্রশাসনের তরফে দেখা হবে। তিনি বলেন, সেন্টারগুলি ঠিকমতো চলছে কি না, কোন সুপারভাইজার কতগুলি সেন্টার ভিজিট করলেন, কোথাও ভিজিট বাকি আছে কি না, কর্মীরা নিয়মিত আসছেন কি না, কেন্দ্রগুলিতে শিশুদের নিয়মিত উপস্থিতির হার এইসব তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে লিখে প্রতি সপ্তাহের শুক্র অথবা শনিবার মহকুমা শাসকের অফিসে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ