Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ সিকিমে বৃষ্টি-তুষারপাতের সম্ভাবনা, পাহাড়ে বাড়বে ঠান্ডা

উত্তর-পশ্চিম হাওয়ার দোসর পশ্চিমীঝঞ্ঝা! তাই ডিসেম্বরের শুরুতেই শীতের আমেজ উত্তরবঙ্গে।

আজ সিকিমে বৃষ্টি-তুষারপাতের সম্ভাবনা, পাহাড়ে বাড়বে ঠান্ডা
  • ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: উত্তর-পশ্চিম হাওয়ার দোসর পশ্চিমীঝঞ্ঝা! তাই ডিসেম্বরের শুরুতেই শীতের আমেজ উত্তরবঙ্গে। আজ, বুধবার সিকিম পাহাড়ে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও উঁচু উপত্যকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়ার এমন পূর্বাভাস নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এদিকে, সমতলেও বাড়ছে ঠান্ডা। পারদ পতনের নিরিখে কালিম্পংয়ের কাছাকাছি কোচবিহার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাই আলমারি থেকে কম্বল, লেপ নামাতে শুরু করেছেন সমতলবাসী। 

Advertisement

মঙ্গলবার শৈলশহর দার্জিলিংয়ে সেভাবে সূর্যের দেখা মেলেনি। আকাশ ছিল মেঘলা। প্রতিবেশী জেলা কালিম্পংয়ের অবস্থাও ছিল একই। পরীক্ষার মরশুম হলেও এদিন দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তায় কিছু পর্যটককে দেখা গিয়েছে। আবাহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং সেন্টজোসেফ কলেজ ও রাজভবন এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ ও ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কালিম্পংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি। 
এই অবস্থায় পাহাড়ের বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, উত্তর-পশ্চিম হাওয়া চলছে। সেই সঙ্গে একটি দুর্বল পশ্চিমীঝঞ্ঝা রয়েছে। এই দুইয়ের জেরেই সিকিম পাহাড়ের বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও উঁচু উপত্যকায় তুষারপাতের সম্ভবনা রয়েছে। এনিয়ে পাহাড়বাসী ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রায় দু’মাস আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়েছিল পাহাড়। সেই রেশ কাটিয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় এবার ডিসেম্বর মাস শুরু হতেই পাহাড়ে খেলতে শুরু করেছে ঠান্ডা। চলতি মাসে শীতের কামড় আরও বাড়বে। এজন্য এখানে পর্যটকের ঢলও নামবে বলেই মনে হচ্ছে। 
এদিকে, এদিন সকালে একঝলক সূর্যের দেখা মিলেছিল শিলিগুড়িতে। দিনভরই আকাশে হালকা মেঘ ছিল। সেইসঙ্গে শীতল হাওয়াও চলেছে। বিকেলের পর থেকে ঠান্ডার তীব্রতা কিছুটা বেড়ে যায়। স্থানীয়দের বক্তব্য, দু’দিন ধরে শীতের আমেজ বেড়েছে। দিনভর গায়ে গরম পোশাক রাখতে হচ্ছে। ভোরে ও রাতে ঠান্ডা লাগছে। এখন কম্বল, লেপ চাপাতে হবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ঠান্ডার কামড় কিছুটা বেশি। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির গ্রামীণ এলাকার একাংশ বেলা পর্যন্ত কুয়াচ্ছন্ন থাকছে। সকাল-সন্ধ্যায় আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৫.৪, ১৩.৭ এবং ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
স্থানীয়দের বক্তব্য, কালিম্পং ও কোচবিহার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় কাছাকাছি। এমন আবহাওয়া চললে পারদ পতনের নিরিখে কালিম্পংকে টেক্কা দেবে কোচবিহার।  নিজস্ব চিত্র  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ