সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে বুধবার মোদি সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বলেন, আমেরিকার শর্তেই ভারত বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে। যার জেরে ভারতের কৃষি, বস্ত্র ক্ষেত্র ব্যাপক বিপদে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।
রাহুল বলেন, আমেরিকান ব্যবসায়ী এপস্টাইনের ৩০ লক্ষ ফাইলে চাপে পড়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই ফাইলে এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নাম আছে। একজন ভারতীয় ব্যবসায়ীর নাম আছে। ভারতকে পাকিস্তানের সমতুল ভেবেছে আমেরিকা। এর তীব্র প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কিন্তু মোদি সরকার তা করেনি। সংসদে রাহুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চার হলেন সরকারের দুই মন্ত্রী। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু, খাদ্যমন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। পালটা দিল কংগ্রেস ও তৃণমূল। রিজিজু বললেন, নরেন্দ্র মোদির মতো শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী এর আগে আসেনি। তাই রাহুল গান্ধী যেসব কথা বলছেন, তার সত্যতা প্রমাণ করতে হবে। সভায় তখন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন উপস্থিত থাকলেও কিছু বলেননি।
উল্লেখযোগ্যভাবে এদিন ট্রেজারি বেঞ্চের প্রথম সারি ছিল সম্পূর্ণ ফাঁকা। প্রধানমন্ত্রী, রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, নীতিন গাদকারির কেউই আসেননি। শুধু তাই নয়। সংসদে রাহুল গান্ধীকে কোণঠাসা করতে কথায় কথায় বিধি-বই (রুল বুক) খুলে সরকার পক্ষে ঢাল ধরা বিজেপির নিশিকান্ত দুবেকেও এদিন দেখা যায়নি। পরে রিজিজু বলেন, রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আমরা স্বাধিকার ভঙ্গের (প্রিভিলেজ) নোটিস আনব। রাহুলের পাশাপাশি এদিন তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরকারকে একহাত নেন। বাজেটে বাংলার বঞ্চনা প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ভোটে এর জবাব মিলবে।