নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও হামলার বদলা যে ভয়ানক হবে, তার আঁচ পেয়েছিল পাকিস্তান। ভারতের প্রত্যাঘাতের আশঙ্কায় প্রহর গুণছিল পাকিস্তান। সেজন্য দপ্তরেই রাত কাটাচ্ছিলেন পাক বায়ু সেনা প্রধান জাহির সিধু। ৭ মে। অপারেশন রুমের পাশেই একটি গদি পেতে ঘুমোচ্ছিলেন তিনি। তখন মধ্যরাত। আচমকা জ্বলে উঠল অপারেশন রুমের লাল আলো। একলাফে উঠে মনিটরে চোখ রাখেন সিধু। দেখতে পান, সীমান্তে প্রস্তুত ভারতের কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান। তড়িঘড়ি জে-১০সি যুদ্ধবিমানগুলিকে পাল্টা হামলার নির্দেশ দেন তিনি। ঘণ্টাখানেক ধরে রাতের আকাশে টক্কর চলে দুই দেশের ১১০টি যু্দ্ধবিমানের। আর এর মধ্যেই জে ১০ সি ফাইটার থেকে ছোড়া চীনের তৈরি পিএল-১৫ মিসাইলের আঘাতে ধ্বংস হয় রাফাল। সম্প্রতি একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পি এল -১৫ মিসাইলের পাল্লা সম্পর্কে ভুল তথ্য ছিল ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে। আর সেই ব্যর্থতাই রাফাল ধ্বংসের কারণ।



