Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

পুজো মানেই বেড়াতে যাওয়া

পুজো মানেই আমার মনে পড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ। চারিদিকে আলোর রোশনাই

পুজো মানেই বেড়াতে যাওয়া
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

পুজো মানেই আমার মনে পড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ। চারিদিকে আলোর রোশনাই। সবাই আনন্দ উৎসবে শামিল। মা দুর্গা সবার মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দেন। সারা বছর এই কটা দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকা। এখন পুজোতে আমি শহরে থাকি না। তাই কলকাতার পুজো দেখা হয় না। এখন পুজো মানেই ছুটির ঘণ্টা এবং বেড়ানোর হাতছানি। কিন্তু, বেড়াতে গিয়েও যদি সেখানে মা দুর্গার কোনও পুজো চোখে পড়ে তখন মনটা এক লহমায় ভালো হয়ে যায়। মনে হয় আমার শিকড়ের যে নিয়ম-রীতি সেগুলো দূরে কোথাও পালিত হচ্ছে। দেখে মন ভরে ওঠে। তবে আমার ছোটবেলার পুজো সম্পূর্ণ অন্যরকম ছিল। শৈশবে পুজোর আগে আমরা পার্বণী পেতাম। বড়রা আমাদের হাতে খুশি হয়ে পুজোতে খরচ করার জন্য কিছু টাকা দিতেন। সেই টাকার অঙ্ক খুব বেশি না হলেও তার আনন্দ ভালোবাসা ছিল অপরিসীম। আমার মনে আছে সেই টাকা জমিয়ে ক্যাপ-বন্দুক কিনতাম। পুজোর সময় সব মুখোরোচক খাবার ছাড়পত্র পাওয়া যেত। পুজোর ওই কটা দিন নিজের ওই জমানো পয়সায় পছন্দের ফুচকা, আলুকাবলি, সরবত খাওয়ার মজাই আলাদা ছিল। এখনকার বাচ্চারা তো সেই মজাগুলো পেলই না। আমরা পেয়েছি। ভরপুর উপভোগ করেছি জীবন। তখন জীবন সহজ ছিল। জটিলতা ছিল না, অনেক সরল ছিল। এবারও শহরের বাইরে পুজো কাটবে আমার। বরাবরের মতোই বেড়াতে যাব। কিন্তু, কোথায় যাব সেটা এখনই শেয়ার করতে চাই না। একটু গোপনীয়তা রাখতে চাই। পুজো মানে তো আনন্দ। তাই যে যেভাবে আনন্দে শামিল হবেন সেটাই হবে তার উৎসবের উদযাপন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ