Bartaman Logo
১০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হালফ্যাশন পোশাকের সম্ভারে জমজমাট পুজোর বাজার

পুজোর বাকি আর তিন সপ্তাহ। চারিদিকে পুজোর প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। জমে উঠছে পুজোর বাজারও। শুক্রবার বিকেলে কয়েক পশলা বৃষ্টিও হয় শিলিগুড়িতে।

হালফ্যাশন পোশাকের সম্ভারে জমজমাট পুজোর বাজার
  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: পুজোর বাকি আর তিন সপ্তাহ। চারিদিকে পুজোর প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। জমে উঠছে পুজোর বাজারও। শুক্রবার বিকেলে কয়েক পশলা বৃষ্টিও হয় শিলিগুড়িতে। তবু তাতে পুজোর বাজারে বাঙালির উদ্যম দমিয়ে রাখা যায়নি। সাধ্যের মধ্যে বাজার করতে ক’দিন ধরেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে বিভিন্ন মার্কেট, শপিং সেন্টার এমনকী ফুটপাতের দোকানেও। এককথায় শিলিগুড়ি শহরের হিলকার্ট রোড থেকে শুরু করে শেঠ শ্রীলাল মার্কেট, বিধান মার্কেট, এসএফ রোডে পুজোর বাজার জমজমাট। 

Advertisement

পুজো মানে নতুন পোশাক এবং নতুন ডিজাইন। এবার শিলিগুড়ির সব বাজারেই যুব সমাজের কাছে জিন্সের কদর বেড়েছে। তবে ডিজাইনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন নতুন ডিজাইনের টি-শার্টেরও ব্যাপক চাহিদা। স্টোন সোটিং টি শার্টের চাহিদা বেশি। জিন্সের ক্যারট ডিজাইন প্যান্ট এবং কারগো প্যান্টেরও যথেষ্ট চাহিদা দেখা যাচ্ছে। 
মেয়েদের পোশাকের মধ্যে পুজোর বাজারে এবার হিট ক্রপ টপ। অল্প ঝুলের এই জামা জিন্সের সঙ্গে সব থেকে বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন। হিলকার্ট রোডে মিলনী স্টোর্সের মালিক সুজিত শীল বলেন, ১৯৫৫ সাল থেকে আমাদের প্রাইম শোরুম চলছে। মূলত জিন্সের প্যান্ট, নানা ধরনের জামা নিয়ে আমাদের ব্যবসা। এবার যুব সমাজের মধ্যে জিন্স, কার্গো প্যান্ট, ক্যারট জিন্স, প্রিন্টেট শার্টের ভালো চাহিদা রয়েছে। চেক ও প্লেন শার্টের চাহিদা এবার কম। কী ছেলে কী মেয়ে, সকলের কাছে স্টোন সেটিং টি শার্টের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। সেরকম মেয়েদের ড্রেসের মধ্যে এবার প্রিন্টেড কটন সেট, পায়জামা, লং ফ্রকসের চাহিদা রয়েছে। প্রিন্টেড লাইকরা টপ, ক্রপ টপ, সালারা, ড্রপ শোল্ডার টপসের চাহিদাও ব্যাপক। 
সুজিতবাবুর মতো শহরের অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও জানান, ছেলেমেয়েরা এবার  লুস ফিটিং বেশি পছন্দ করছে, প্যারালাল ওভার সাইজ জিন্সের প্যান্ট, ঢিলেঢালা ড্রপ শোল্ডার টি শার্ট তাদের বেশি পছন্দ। এছাড়া জিন্স কারগোর চাহিদা তো রয়েছেই। তবে ডিজাইনের পরিবর্তন এসেছে। ছেলেমেয়ে সকলেই  ঢিলেঢালা ফিটিংস বেশি পছন্দ করছে। 
সুজিতবাবু বলেন, শপিংমল খোলার পর আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের সেভাবে কোনও সমস্যা হয়নি। ক্রেতা কমেনি। কিন্তু অনলাইন মার্কেটিং চালু হওয়ার পর কিছুটা হলেও ধাক্কা লেগেছে। অনলাইন মার্কেটিংয়ের ফলে কিছু  ক্রেতা দোকানে আসছেন না। 
শিলিগুড়ির পুজোর  বাজারে ডুয়ার্সের ক্রেতাদের ভালো ভিড় ছিল। এখন ডুয়ার্সের ছোট্ট জনপদেও বিভিন্ন কোম্পানির আউটলেট খুলে গিয়েছে। এটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে সেরা জিনিস দেওয়ার জন্যই শিলিগুড়িতে পুজোর বাজার জমজমাট বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।   নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ