ব্ল্যাক ব্রিক কাফে
এখানে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টেবর পর্যন্ত চলবে পুজোর মহাভোজ। দুর্গা পুজোয় সারারাত জেগে ঠাকুর দেখেন অনেকেই। তাঁদের কথা ভেবেই এই রেস্তরাঁ ভোর চারটে পর্যন্ত খোলা থাকবে পুজোর ক’দিন। মেনুতে পাবেন গন্ধরাজ ফিশ ফিঙ্গার, চিকেন টেন্ডারস, চিজি ফ্রাইস, শেফ’স স্পেশাল সিসেম চিলি চিকেন, প্রন বাটার গার্লিক স্যস, বিবিসি পেরিপেরি চিকেন বার্গার, ড্রাগন সিজলার, স্প্যাগেটি স্ট্রগানভ, ট্রুফল শাফল পিৎজা। মিষ্টির মধ্যে পাবেন সল্টেড ক্যারামেল পপকর্ন শেক, কিটক্যকট শেক ইত্যাদি। খরচ মোটামুটি ১২০০ টাকা জনপ্রতি।
লা ভানাকাম
এখানকার দুর্গা পুজোর মেনু সাজানো হয়েছে দক্ষিণ ভারতীয় খাবার দিয়ে। আয়োজন থাকবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। মেনুতে পাবেন পোড়ি টাট্টে ইডলি, চিলি অয়েল চিজ দোসা, মালাবার পরোটা উইথ চেট্টিনাড কারি, বড়া পাও, চিজ গার্লিক নান ক্রিসপ উইথ চিলি ডিপ, শ্যাম সাভেরা কোপ্তা, আইসড ফিল্টার কফি, বাটারমিল্ক ইত্যাদি। এছাড়াও নবরাত্রির ষষ্ঠ দিন থেকে নবম দিন পর্যন্ত কিছু কমপ্লিমেন্টারি খাবারও পাবেন নির্দিষ্ট অর্ডারের উপর। এখানে জনপ্রতি খাওয়ার খরচ মোটামুটি ৬০০ টাকা।
লাকি টাইগার
২৬ সেপেটম্বর থেকে ২ অক্টেবর পর্যন্ত চলবে দুর্গা পুজোর আয়োজন। দুপুর বারোটা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত খোলা থাকবে রেস্তরাঁ। মেনুতে পাবেন গতানুগতিক খাবার যেমন ঝুরি আলু ভাজা, আলু চানা চাট, দই বড়া, ফিশ ফিঙ্গার, ফিশ অ্যান্ড চিপস, চিকেন সিক্সটি ফাইভ, পেরি পেরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, অমৃতসরি ফিশ, বেঙ্গলি গন্ধরাজ মোহিতো, ক্যান্ডনিজ প্লাম স্প্রিটজার ইত্যাদি। জনপ্রতি খরচ মোটামুটি ১,৮৮৯ টাকা থেকে শুরু।
বর্মা বর্মা
এখানে পুজোর মেনুতে পাবেন ভিনদেশি খাবার। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে পুজোর মেনু। পাবেন রিচ বার্মিজ পুলড টি, বার্মিজ মিল্ক টি, ইয়ানগন রয়্যাল টি, ক্রিমি বাগান টি, আইসড মিল্ক টি, কোকোনাট আইসড টি, সিন স্টেট পোট্যাটো ক্রোকে, কর্নার কার্ট স্কিউয়ার, ক্র্যাকলিং বার্মিজ ডাম্পলিং, সিয়ারড টোফু অ্যান্ড অ্যাভোকাডো স্যালাড, টি শপ নুডল বোল, টি শপ টোস্ট ইত্যাদি। এখানে খাওয়ার খরচ মোটামুটি ১,৮০০ টাকা থেকে শুরু।
গপ্পোবুড়ির হেঁশেল
দুর্গা পুজোয় এখানে পালন করার হবে দেবীপক্ষ। মেনুতে থাকবে কাশিমবাজার রাজবাড়ির রাধিকামোহন পোলাও, শোভাবাজার রাজবাড়ির বাহারি কাতলা, চোরবাগান চ্যাটার্জি বাড়ির নিরামিষ চিংড়ি কালিয়া, পাথুরিয়াঘাটার পাঁঠার কালিয়া। পুরনো দিনের রান্নার ডালি নিয়ে হাজির হয়েছে এই ক্লাউড কিচেনটি। এখানকার অন্যতম কর্ণধার জানালেন, পুজো বাঙালির কাছে একটা নস্টালজিয়া। এই সময় বয়স্করা চান ছেলেবেলার সেই আমেজ আর আধুনিক প্রজন্ম পুরনো দিনের গল্প শুনতে চায়। এই দুই প্রজন্মের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এমন মেনু বাছাই করা হয়েছে। দাম ১৯০ টাকা থেকে ৪৯০ টাকা।
দ্য কনক্লেভ ভার্দে
এখানে শারদীয়া ভোজ শুরু হবে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে। চলছে ২ অক্টেবর পর্যন্ত। মেনুতে রয়েছে গন্ধরাজ লেবুর শরবত, পুদিনা শিকাঞ্জি, মোচা নারকেল বড়া, ফাউল কাটলেট, কচু-চিংড়ির কাটলেট, মাছের ডিমের বড়া, ডিমের ডেভিল, গোবিন্দভোগ ঘি ভাত, আলু পোস্ত, মোচার ঘণ্ট, ভাপা কাতলা, কাঁচালঙ্কা মুরগি, কষা মাংস, ঝিঙে আলু পোস্ত, আড় মাছের তেলঝোল, চিকেন রেজালা, মুর্শিদাবাদি মুরগির ঝোল, কালো ভুনা মাংস, ফরিদপুরি মরিচ মাংস, রসগোল্লা, বেকড মিহিদানা, মালপোয়া, ক্ষীর গজা, ফ্রুট মন্টেকার্লো সহ আরও নানা পদ। জনপ্রতি খরচ ১,০৪৯ টাকা।
রয়্যাল বেঙ্গল রুম
এখানে পুজোয় পাবেন হরেক পদের মেনু। দাম ১,৪৯৯ টাকা। ষষ্ঠী থেকে দশমী চলবে এই বিশেষ পুজো মেনু। থাকবে আমপোড়ার শরবত, দই-তুলসী ঘোল, মোচা নারকেল চপ, মাটন কাটলেট, ছানা-কড়াইশুঁটির চপ, গন্ধরাজ ফিশ ফিঙ্গার, কলকাতা কাঠি রোল, চিকেন টিক্কা, সর্ষে পোস্ত পটোল ভাপা, গন্ধরাজ ভাপা কাতলা, ঢাকাই কালা ভুনা মাটন, রাধা তিলক মুরগির পোলাও, কুলের আচার, তেঁতুলের আচার, সীতাভোগ, মালপোয়া সহ আরও নানা পদ। এছাড়াও থাকছে চাট কাউন্টার ও ফুচকা স্টেশন।
ডকিয়ার্ড অ্যান্ড কোং
খিদিরপুর জেটি ৮ এই রেস্তরাঁর ঠিকানা। এখানে পুজোর মহাভোজ মেনু পাবেন পঞ্চমী থেকে দশমী। ১২.৩০ থেকে ৪টে পর্যন্ত চলবে লাঞ্চ। ডিনার শুরু হবে ৭টা থেকে, ১১টা পর্যন্ত। মেনুতে পাবেন নানারকম ভর্তা, স্টাফড পনির তাওয়া মশলা, মেওয়া স্টাফড পনির টিক্কা, গ্রিন পি ক্রোকে, অ্যাংলো চিলি বেবিকর্ন, ফিশ অ্যান্ড শ্রিম্প গ্যালে, কাসুন্দি চিকেন টিক্কা, মরিচ মাংস, ঠাকুরবাড়ির মাংস, ভেটকির তেলঝাল, হায়দরাবাদি চিকেন বিরিয়ানি, রসগোল্লা, সন্দেশ প্ল্যাটার, আইসক্রিম সহ নানা পদ। বুফে পাবেন ১,৭৯৯ টাকায়। বাচ্চাদের বুফে ১,১৯৯ টাকা।
অর্ক’স
এখানে পাবেন দুর্গা পুজোর ট্র্যাডিশনাল মেনু। মেনুতে পাবেন কালাখাট্টা গন্ধরাজ শরবত, কাঁচা আম আদা ও কাঁচালঙ্কার শরবত, বকফুলের বড়া, পনির সিগারেলো রোল, দর্জি পাড়ার মাছের কাটলেট, শিকাঞ্জি মুর্গ টিক্কা, মোচা মুরগির চপ, কলকাতা স্টাইল মাটন বিরিয়ানি, চিংড়ি মালাইকারি, আওয়াধি মুর্গ চাঁপ ইত্যাদি। মিষ্টির মধ্যে পাবেন গুড়ের পায়েস, রসগোল্লা, গুলাবজামুন ইত্যাদি। সবশেষে থাকবে মিষ্টি পান। বুফে পাবেন ১,২৯৯ টাকায়।
রিজেন্টা অর্ক’স
এখানে পুজোর বিশেষ মেনু পাবেন ১,৩৯৯ টাকায়। পুজোর পাঁচদিনই থাকবে ভালোমন্দ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন। লাঞ্চ ও ডিনার দু’ক্ষেত্রেই এই মেনু পাবেন। বাঙালি মেনুতে থাকবে মাছের চপ, ডাবল এগ রোল, চিংড়ির পেঁয়াজি, কলকাতা দম চিকেন বিরিয়ানি, কালো ভুনা মাটন, কাঁচালঙ্কা বাটা সর্ষে পাবদা, ভাপা দই পোস্ত ও চিংড়ির কোর্মা, কষা আলুর দম, ছানার কোপ্তা ডালনা, দই বেগুন ইত্যাদি। এছাড়াও রয়েছে ইন্দো চাইনিজ মেনু। পাবেন ওক টসড চিলি চিকেন, চিকেন ডবল এগ অনিয়ন হাক্কা নুডলস ইত্যাদি। এর সঙ্গে মিষ্টির মধ্যে থাকবে মহামণি সন্দেশ, ছানার জিলিপি, রসগোল্লা, মুগ ডালের হালুয়া, ঠাকুরবাড়ির চালের পায়েস, নানা স্বাদের চিজ কেক, কাস্টার্ড, পেস্ট্রি সহ বিভিন্ন পদ। মোটামুটি ১০০০ টাকা থেকে খাওয়ার খরচ।
এন এক্স হোটেল
এখানে পুজোর মেনুতে পাবেন মাটন জাফরানি দম বিরিয়ানি, চিকেন দম বিরিয়ানি, গ্রিন পাটায়া ভেটকি ফিশ, বাটার ফ্রায়েড প্রন, মালাই সয়া কাবাব, এনএক্স কাবাব প্ল্যাটার, মুর্গ ভর্তা, রাজবাড়ির মাটন কষা, মুম্বই কুলফি ইত্যাদি। পুজোর মধ্যে দুপুর ১২টা থেকে ভোর ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকবে রেস্তরাঁ। বিলের উপর থাকবে ১৫ শতাংশ ছাড়।
সিমেনস এক্সপিরিয়েন্স সেন্টার
দুর্গা পুজো মানেই ভরপুর বাঙালিয়ানা। এই সময় নতুন প্রজন্মও বাঙালি খাবার খেতে চায়। অনেকেই অবশ্য ইন্ডিয়ান কুইজিনও চান এই সময়। কিন্তু বাঙালি খাবারের দিকেই পাল্লা ভারী। সেই কথা মাথায় রেখেই সিমেনস এক্সপিরিয়েন্স সেন্টারে শেফ কয়াল বাঙালি মেনু সাজিয়েছেন পুজোর ক’দিনের জন্য। দুর্গা পুজোয় পাবেন গলদা চিংড়ি ঘিলু হোলান্দিস, শাক রিসোতো, মুরগির অমলেট, মুরগির লাল ঝোল ইত্যাদি। তাঁর কথায়, বাঙালি মেনুর সঙ্গে সামান্য একটু ফিউশনও রাখা হয়েছে।