সংবাদদাতা, কাঁথি: এলাকাবাসীদের আন্দোলনের জেরে পটাশপুরের পানিনালা খাল সংস্কারের জন্য প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হল। জেলাশাসকের নির্দেশে বৃহস্পতিবার বিকালে প্রশাসনিক ও সেচদপ্তরের আধিকারিকরা দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার ওই খাল পরিদর্শন করেন। ওই দলে ছিলেন এগরার মহকুমা শাসক মনজিৎ যাদব সহ প্রশাসনিক কর্তারা এবং সেচদপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পটাশপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নমিতা বেরা, সহ-সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা, বিডিও বিধানচন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ। তাঁরা জনগণের দুর্দশার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, বাম আমল থেকে দীর্ঘ প্রায় চার দশক পানিনালা খাল অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। দুই পাড়ে যাতায়াতের সুবিধার জন্য কয়েকটি জায়গায় অস্থায়ী মাটির বাঁধ দেওয়া হয়েছে। কোথাও মাছ ধরার জাল ও পাটাতন দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও খালের উপর বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে। খালটি মজে গিয়ে জলনিকাশি একেবারে অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। এই কারণে শুধু বর্ষাকাল নয়, কার্যত সারাবছরই খাল সংলগ্ন কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে জল দাঁড়িয়ে থাকে। আমন কিংবা বোরো চাষ করতে পারেন না এলাকার চাষিরা।
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে জল-যন্ত্রণায় ভুক্তভোগী মানুষজন। এলাকার বাসিন্দারা ‘পানিনালা খাল সংস্কার কমিটি’ গড়ে আগেও অনেকবার আন্দোলন করেছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে দরবার করেছেন। লাভ হয়নি। ফের নতুন করে আন্দোলনে নেমেছেন তাঁরা। তারই অঙ্গ হিসেবে গত ১১ নভেম্বর পালপাড়ায় এগরা-বাজকুল সড়ক দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার কয়েকশো বাসিন্দা। ওইদিন জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজির আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ১২ তারিখ খাল সংস্কার কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন জেলাশাসক। মহকুমা শাসক বলেন, কয়েকটি জায়গায় খাল অবরুদ্ধ হয়ে আছে। জেলাশাসক ও সেচদপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির উপদেষ্টা সূর্যেন্দুবিকাশ পাত্র বলেন, দাবি না মিটলে আবার জোরদার আন্দোলন শুরু হবে।
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে জল-যন্ত্রণায় ভুক্তভোগী মানুষজন। এলাকার বাসিন্দারা ‘পানিনালা খাল সংস্কার কমিটি’ গড়ে আগেও অনেকবার আন্দোলন করেছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে দরবার করেছেন। লাভ হয়নি। ফের নতুন করে আন্দোলনে নেমেছেন তাঁরা। তারই অঙ্গ হিসেবে গত ১১ নভেম্বর পালপাড়ায় এগরা-বাজকুল সড়ক দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার কয়েকশো বাসিন্দা। ওইদিন জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজির আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ১২ তারিখ খাল সংস্কার কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন জেলাশাসক। মহকুমা শাসক বলেন, কয়েকটি জায়গায় খাল অবরুদ্ধ হয়ে আছে। জেলাশাসক ও সেচদপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির উপদেষ্টা সূর্যেন্দুবিকাশ পাত্র বলেন, দাবি না মিটলে আবার জোরদার আন্দোলন শুরু হবে।



