Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেহাল রাস্তার জেরে ভোগান্তি, রামপুরহাটে অবরোধ-বিক্ষোভ

পিচ উঠে মাটি বেরিয়ে গিয়েছে। সারা রাস্তা খানাখন্দে ভরা। বর্ষায় জল জমে ওই খানাখন্দগুলি ডোবার আকার নিয়েছে।

বেহাল রাস্তার জেরে ভোগান্তি, রামপুরহাটে অবরোধ-বিক্ষোভ
  • ১৬ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: পিচ উঠে মাটি বেরিয়ে গিয়েছে। সারা রাস্তা খানাখন্দে ভরা। বর্ষায় জল জমে ওই খানাখন্দগুলি ডোবার আকার নিয়েছে। দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে রামপুরহাটের নিশ্চিন্তপুর থেকে সুঁদিপুর পর্যন্ত ১২০০ মিটার রাস্তার পুরোটাই চলাচলের অযোগ্য‌ হয়ে রয়েছে। সংস্কারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে ১০টা থেকে এক ঘণ্টা লোকোপাড়া মোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ভুক্তভোগী মানুষজন। যার জেরে বহু যানবাহন আটকে পড়ে। তীব্র যানজট হয়। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত বলেন, বছর দুয়েক আগে রাস্তাটি ডবল লেনের করার জন্য রাজ্যে আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও অনুমোদন মেলেনি। তবে জরুরি কিছু সংস্কার করা যায় কিনা তা দেখছি।

Advertisement

রামপুরহাটের দুমকা রোডের নিশ্চিন্তপুর মোড় থেকে সুঁদিপুর পর্যন্ত এই কুসুম্বা, আয়াস, নারায়ণপুর পঞ্চায়েত এলাকার কয়েক হাজার মানুষ শহরে যাওয়া-আসা করেন। এছাড়া ১, ৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষেরও প্রধান রাস্তা এটিই। এই রাস্তা দিয়ে রামপুরহাট-১ ব্লক ও এসডিপিও অফিস যাওয়া আসা করেন অনেকে। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল। মাঝেমধ্যে খানাখন্দে ইট, পাথরের গুঁড়ো দিয়ে মেরামত করা হয়। কিন্তু ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে রাস্তা ফের আগের অবস্থায় ফেরে। বৃষ্টিতে এই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। গর্তে জল জমে যাওয়ার মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। টোটো ও অন্যান্য যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। হেঁটে চলাচল করতে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই রাস্তায় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ছোটখাট দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। কিছুদিন আগে এই রাস্তায় দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। তারপরও হুঁশ নেই পুরসভার।
এদিন এলাকার বাসিন্দারা পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্কুল ও অফিস টাইমে এই অবরোধ হওয়ায় সমস্যায় পড়েন অনেকে। যানবাহনের পাশাপাশি টোটো, বাইক দাঁড়িয়ে পড়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরোধ চলার পর পুলিস আসে। তাঁরা রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে পুরসভার সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিলে অবরোধ মুক্ত হয়। আন্দোলনকারী সাহাজাদা হোসেন, সঞ্জীব মল্লিক বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। সাধারণ মানুষের ভোগন্তি নিয়ে পুরসভার কোনও হেলদোল নেই। পুলিসের আশ্বাসে অবরোধ তোলা হয়েছে। দশদিন সময় দিয়েছি। এরমধ্যে পুরসভা সংস্কারে হাত না লাগালে ফের রাস্তা অবরোধ আন্দোলনে নামব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ