সংবাদদাতা, বনগাঁ: আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার হলেন ঋতব্রতপন্থী তথা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের
সংবাদদাতা, বনগাঁ: আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার হলেন ঋতব্রতপন্থী তথা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের
বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। সোমবার দুপুরে গোপালনগর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে একটি দেশি বন্দুক উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতকে আজ মঙ্গলবার বনগাঁ আদালতে তোলা হবে।
তিনবারের বিধায়ক ছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে দুটি নির্বাচনেই পরাজিত হন তিনি। তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই নেতা গ্রেপ্তার হতেই শহর জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারের পর অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলতে শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে থেকেই তাঁদের কাছে খবর ছিল বিশ্বজিৎ দাস আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকায় আসছেন। সেইমত গোপালনগর থানার পুলিশ চাকদহ সড়কে কালীবাড়ি মোড় এলাকায় ওত পেতে ছিল। দুপুরে এলাকায় আসতেই পুলিশ তাঁকে আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে গাড়িতে কিছু না পাওয়া গেলেও বিশ্বজিৎ দাসের কাছ থেকে একটি দেশি বন্দুক উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বলেন, আগে থেকেই পুলিশের কাছে খবর ছিল। সেইমত বিশ্বজিৎকে আটক করে তল্লাশি করতেই একটি দেশি বন্দুক মিলেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি নৃপেন বিশ্বাস বলেন, বিশ্বজিৎ দাস একটা মাফিয়া। বিগত সরকারের আমলে শাসক দলের নেতা হওয়ায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেনি। বর্তমান সরকারের পুলিশ নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে। এদিন এক মাফিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কালীঘাট তৃণমূলের এই নেতা রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই নিজেকে অন্তরালে রেখেছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কালীঘাট তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তাঁর। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরেন তিনি। এদিন তাঁর গ্রেপ্তারিতে তৃণমূলের অন্দরেও নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।