সংবাদদাতা, কান্দি: দলের বিধায়কের কাছে প্রিন্টার ফেরত চেয়ে বচসায় জড়ালেন তৃণমূল নেতা। ঘটনাটি বড়ঞা ব্লক এলাকার। এনিয়ে রবিবার একটি অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় শোরগোল পড়েছে। শনিবার উভয়ের মধ্যে ওই কথোপকথন হয় বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
ওই অডিও ক্লিপে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে ফোন করে দলের বড়ঞা ব্লক তৃণমূল সহকারী সভাপতি মাহে আলমকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, তিনি জীবনবাবুকে একটি প্রিন্টার দিয়েছিলেন। সেই প্রিন্টার ফেরত দিতে হবে। তাতে বিধায়ক জানান. প্রিন্টার তিনি ফেরত দিতে পারছেন না। সেটির দাম ১৫ হাজার টাকা হতে পারে। মনে করলে ওই পরিমাণ টাকা তিনি ফেরত দেবেন।
এরপর এনিয়ে বিধায়কের সঙ্গে তুমুল বচসা বেধে যায় তৃণমূল নেতার। ওই তৃণমূলে নেতাকে বলতে শোনা যায়, আপনি এই এলাকার মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। প্রয়োজনে এলাকার প্রতিটি মানুষকে তিনি ক্ষমা করতে পারেন কিন্তু তাঁকে ক্ষমা করবেন না। তিনি বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছেন।
এমনকী বিধায়ককে বাড়ি থেকে বের হতে দেবেন না বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতা। যদিও বিধায়ক বলতে থাকেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। এখনও তিনি বন্ধু বলেই ভাবেন তাঁকে। এমনকী তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কোথাও কোনও অভিযোগ করেননি। তাহলে তাঁর সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হচ্ছে কেন? এই কল রেকর্ডের সত্যতা স্বীকার করেছেন বড়ঞা বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ও তৃণমূল নেতা মাহে আলম।
মাহে আলম বলেন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিধায়ক জেল খেটেছেন। মানুষের কাছে তিনি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। এমন অবস্থায় তাঁর সঙ্গে পথ চলা যাবে না। প্রিন্টার দিয়েছিলাম সেটি ফেরত চেয়েছি। এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। জীবনবাবু বলেন, মাহে আলম সাহেব বছর দুয়েক আগে দলীয় কার্যালয়ের জন্য একটি প্রিন্টার দিয়েছিলেন সত্যি কথা। কিন্তু সেই প্রিন্টার আর আমার কাছে নেই। তাই প্রিন্টারের বদলে টাকা দিতে চেয়েছি। এমন সব ব্যাপার ঘটছে, তাতে কোনদিন তিনি বলে না বসেন যে, আপনাকে একটি জামা গিফট করেছিলাম। সেটি ফেরত দিতে হবে। পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া এর থেকে সহজে হয় না।
এরপর এনিয়ে বিধায়কের সঙ্গে তুমুল বচসা বেধে যায় তৃণমূল নেতার। ওই তৃণমূলে নেতাকে বলতে শোনা যায়, আপনি এই এলাকার মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। প্রয়োজনে এলাকার প্রতিটি মানুষকে তিনি ক্ষমা করতে পারেন কিন্তু তাঁকে ক্ষমা করবেন না। তিনি বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছেন।
এমনকী বিধায়ককে বাড়ি থেকে বের হতে দেবেন না বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতা। যদিও বিধায়ক বলতে থাকেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। এখনও তিনি বন্ধু বলেই ভাবেন তাঁকে। এমনকী তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কোথাও কোনও অভিযোগ করেননি। তাহলে তাঁর সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হচ্ছে কেন? এই কল রেকর্ডের সত্যতা স্বীকার করেছেন বড়ঞা বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ও তৃণমূল নেতা মাহে আলম।
মাহে আলম বলেন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিধায়ক জেল খেটেছেন। মানুষের কাছে তিনি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। এমন অবস্থায় তাঁর সঙ্গে পথ চলা যাবে না। প্রিন্টার দিয়েছিলাম সেটি ফেরত চেয়েছি। এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। জীবনবাবু বলেন, মাহে আলম সাহেব বছর দুয়েক আগে দলীয় কার্যালয়ের জন্য একটি প্রিন্টার দিয়েছিলেন সত্যি কথা। কিন্তু সেই প্রিন্টার আর আমার কাছে নেই। তাই প্রিন্টারের বদলে টাকা দিতে চেয়েছি। এমন সব ব্যাপার ঘটছে, তাতে কোনদিন তিনি বলে না বসেন যে, আপনাকে একটি জামা গিফট করেছিলাম। সেটি ফেরত দিতে হবে। পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া এর থেকে সহজে হয় না।



