নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, দাবি মতো টাকা না দেওয়ায় বাগুইআটিতে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল এক প্রোমোটারকে। ওই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত খোদ বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী। তিনি এখনও পলাতক। তবে, বেঙ্গালুরু থেকে ‘কাউন্সিলার ঘনিষ্ঠ’ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বাগুইআটি থানার পুলিস। কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম অমিত চক্রবর্তী ওরফে ননী। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ননীই প্রোমোটারকে মারধর করেছিল। ওই মামলায় এ নিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস।
Advertisement
প্রসঙ্গত, বাগুইআটির রঘুনাথপুরে একটি বহুতল নির্মাণ করছেন প্রোমোটার কিশোর হালদার। তাঁর অভিযোগ, কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিলেন। ৩ লক্ষ টাকা তিনি দিয়েও দিয়েছেন তাঁকে। বাকি টাকা না দেওয়ায় গত ১৫ ডিসেম্বর নির্মাণ সাইটে গিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে কাউন্সিলারের লোকজন। প্রোমোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিনই দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। মারধরের ঘটনায় তারাও যুক্ত ছিল।
এদিকে, থানায় এফআইআর দায়ের হওয়ায় ঘটনার দিন থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন খোদ কাউন্সিলার। বাড়িতে না মেলায় তাঁর খোঁজে পুলিস ডুয়ার্স, দীঘা, রামপুরহাট, কঙ্কালীতলা, মায়াপুর, রাঁচি, বারাণসী, ঝাড়সুগুদা সহ একাধিক এলাকার হোটেল ও রিসর্টে হানা দিয়েছিল পুলিস। সেইসঙ্গে ননীর খোঁজও চলছিল। ননীর মারধরের ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিস। দিন কয়েক আগে বাগুইআটি থানার পুলিসের একটি টিম বেঙ্গালুরু পাড়ি দেয়। সেখানে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় লুকিয়েছিল ননী। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে নিয়ে আসা হয়েছে।
স্থানীয়রা পুলিসকে জানিয়েছেন, ননী কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। পুলিস জানিয়েছে, ‘ফেরার’ কাউন্সিলারের খোঁজ চলছে। আরও তথ্য পাওয়ার জন্য ননীকে জেরা
করা হচ্ছে।
এদিকে, থানায় এফআইআর দায়ের হওয়ায় ঘটনার দিন থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন খোদ কাউন্সিলার। বাড়িতে না মেলায় তাঁর খোঁজে পুলিস ডুয়ার্স, দীঘা, রামপুরহাট, কঙ্কালীতলা, মায়াপুর, রাঁচি, বারাণসী, ঝাড়সুগুদা সহ একাধিক এলাকার হোটেল ও রিসর্টে হানা দিয়েছিল পুলিস। সেইসঙ্গে ননীর খোঁজও চলছিল। ননীর মারধরের ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিস। দিন কয়েক আগে বাগুইআটি থানার পুলিসের একটি টিম বেঙ্গালুরু পাড়ি দেয়। সেখানে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় লুকিয়েছিল ননী। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে নিয়ে আসা হয়েছে।
স্থানীয়রা পুলিসকে জানিয়েছেন, ননী কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। পুলিস জানিয়েছে, ‘ফেরার’ কাউন্সিলারের খোঁজ চলছে। আরও তথ্য পাওয়ার জন্য ননীকে জেরা
করা হচ্ছে।



