সংবাদদাতা, চাঁচল: প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর দ্বিতীয় বিয়ে। তারপরেও পরকীয়ায় মত্ত স্বামী। ভালোবাসায় ভাগ বসতে দেখে প্রতিবাদ করেছিলেন প্রসূতি স্ত্রী। সেই রোষে স্ত্রীকে কীটনাশক খাইয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল ‘গুণধর’ স্বামীর বিরুদ্ধে। পরে স্ত্রীকে অচৈতন্য অবস্থায় শ্বশুরবাড়ি সংলগ্ন একটি রাস্তায় ফেলে পালাল জামাই। যুবকের এহেন কীর্তিতে শোরগোল পড়েছে চাঁচলের সাঞ্চিয়া গোপালপুর গ্রামে।
Advertisement
রাস্তা থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা বধূকে প্রথম সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়। গত ছয়দিনেও তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। মঙ্গলবার চাঁচল থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ওই বধূকে রেফার করেছেন চিকিত্সকরা। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি। মঙ্গলবার বধূর বাপের বাড়ির লোকজন চাঁচল থানায় জামাইয়ের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় বছর আগে সামাজিক মতে সাঞ্চিয়া গ্রামের নিতাই রবিদাসের মেয়ে সীতা রবিদাসের বিয়ে হয় মাগুরার ফল ব্যবসায়ী কমল দাসের সঙ্গে। গ্রামটি তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে। চারমাস আগে সন্তান হয় বধূর। অভিযোগ, তারপর থেকে স্বামী এলাকার এক মহিলার সঙ্গে পরকীয়া শুরু করেন। ঘরে থেকেও সেই খবর বধূর কানে চলে আসে। প্রথমে তিনি পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্বামীকে বোঝান। শ্বশুরবাড়ির লোকজনও সীতার কথাকে গুরুত্ব দিতেন না। প্রসূতি অবস্থায় প্রতিনিয়ত স্বামীর মারধরের শিকার হতেন তিনি। অভিযোগ, গত ১৩ নভেম্বর বাইকে চাপিয়ে বাপের বাড়ির রাস্তায় অচৈতন্য অবস্থায় সীতাকে ফেলে যান তাঁর স্বামী। স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখেন তাঁদের মেয়েকে কীটনাশক খাইয়ে দেওয়া হয়েছে।
মালদহ মেডিক্যালে রেফার করার সময় প্রচণ্ড দুর্বল ছিলেন ওই বধূ। সীতার মা কাঞ্চন রবিদাস বলেন, মেয়েকে পরিকল্পনা করে খুন করার জন্য কীটনাশক খাইয়েছে জামাই। আমরা ওর কঠোর শাস্তি চাই।
থানায় এসেছিলেন নির্যাতিতার দাদা উত্তম রবিদাসও। বোনের এই অবস্থা দেখে তিনি বলেন, দিনের পর দিন অত্যাচারের পরও বোন সংসার করতে চেয়েছিল। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সব সহ্য করেছিল। বোন পরকীয়ার প্রতিবাদ করেছিল বলে জামাই ওকে খুনের চেষ্টা করেছে। আমরা ওর শাস্তি চাই।
এদিকে বিষক্রিয়ার ফলে ছ’দিন ধরে মাতৃদুগ্ধ পায়নি চারমাসের শিশুটি। প্যাকেটজাতীয় দুধ পান করেই চলছে তার বেঁচে থাকার লড়াই। চাঁচল থানার এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজ চলছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় বছর আগে সামাজিক মতে সাঞ্চিয়া গ্রামের নিতাই রবিদাসের মেয়ে সীতা রবিদাসের বিয়ে হয় মাগুরার ফল ব্যবসায়ী কমল দাসের সঙ্গে। গ্রামটি তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে। চারমাস আগে সন্তান হয় বধূর। অভিযোগ, তারপর থেকে স্বামী এলাকার এক মহিলার সঙ্গে পরকীয়া শুরু করেন। ঘরে থেকেও সেই খবর বধূর কানে চলে আসে। প্রথমে তিনি পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্বামীকে বোঝান। শ্বশুরবাড়ির লোকজনও সীতার কথাকে গুরুত্ব দিতেন না। প্রসূতি অবস্থায় প্রতিনিয়ত স্বামীর মারধরের শিকার হতেন তিনি। অভিযোগ, গত ১৩ নভেম্বর বাইকে চাপিয়ে বাপের বাড়ির রাস্তায় অচৈতন্য অবস্থায় সীতাকে ফেলে যান তাঁর স্বামী। স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখেন তাঁদের মেয়েকে কীটনাশক খাইয়ে দেওয়া হয়েছে।
মালদহ মেডিক্যালে রেফার করার সময় প্রচণ্ড দুর্বল ছিলেন ওই বধূ। সীতার মা কাঞ্চন রবিদাস বলেন, মেয়েকে পরিকল্পনা করে খুন করার জন্য কীটনাশক খাইয়েছে জামাই। আমরা ওর কঠোর শাস্তি চাই।
থানায় এসেছিলেন নির্যাতিতার দাদা উত্তম রবিদাসও। বোনের এই অবস্থা দেখে তিনি বলেন, দিনের পর দিন অত্যাচারের পরও বোন সংসার করতে চেয়েছিল। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সব সহ্য করেছিল। বোন পরকীয়ার প্রতিবাদ করেছিল বলে জামাই ওকে খুনের চেষ্টা করেছে। আমরা ওর শাস্তি চাই।
এদিকে বিষক্রিয়ার ফলে ছ’দিন ধরে মাতৃদুগ্ধ পায়নি চারমাসের শিশুটি। প্যাকেটজাতীয় দুধ পান করেই চলছে তার বেঁচে থাকার লড়াই। চাঁচল থানার এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজ চলছে।



