নয়াদিল্লি: ইসলামাবাদের মিসাইল হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের একের পর এক শহরে প্রত্যাঘাত করেছে ভারত। আর উত্তেজনার এই পরিবেশেই এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এই বৈঠক হয়। সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি ও সামরিক বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেনাপ্রধানের আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে এর আগে এদিন আরও বেশ কয়েকটি জরুরি বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সচিবদের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, বিদেশ, তথ্য ও সম্প্রচার, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য ও টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রকের সচিবরা। ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের শীর্ষকর্তারাও। যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য দেশজুড়ে প্রস্তুতির হাল খতিয়ে দেখতেই প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক। সচিবদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সমন্বয়ের পরিবেশ নিয়েও মোদির কথা হয়েছে বলে খবর। বৈঠক থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। সব সময় পারস্পরিক যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। মোদি বলেছেন, সিভিল ডিফেন্স ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গেই ভুয়ো খবর ও মিথ্যা প্রচার রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সচিবরা তাঁদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরে সীমান্ত এলাকায় পাক গোলাবর্ষণ জারি থাকায় সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যাওয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে পৃথক বৈঠক হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। মোদি এদিন বৈঠক করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গেও। - ফাইল চিত্র