Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

গর্ভবতী অবস্থায় দিল্লি পুলিশের বিশেষ কমান্ডোকে হত্যা! পণের দাবিতে নৃশংস কাজ স্বামীর

গত ২২ জানুয়ারি ঘটেছে ঘটনাটি। তবে ওই পুলিশ কর্মীকে প্রায়শই গার্হস্থ্য হিংসার সম্মুখীন হতে হতো

গর্ভবতী অবস্থায় দিল্লি পুলিশের বিশেষ কমান্ডোকে হত্যা! পণের দাবিতে নৃশংস কাজ স্বামীর
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০১
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ৩০ জানুয়ারি: দিল্লিতে নৃশংস হত্যার শিকার হলেন বছর ২৭-এর দিল্লি পুলিশের সোয়াট কমান্ডো কাজল চৌধুরী। অভিযোগ স্বামী অঙ্কুর রাগ বসত কাজলের মাথায় ভারী ডাম্বেল দিয়ে আঘাত করেন। গত ২২ জানুয়ারি ঘটেছে ঘটনাটি। তবে ওই পুলিশ কর্মীকে প্রায়শই গার্হস্থ্য হিংসার সম্মুখীন হতে হতো। পণের জন্য অঙ্কুরের পরিবারের সদস্যরা অত্যাচার করতো বলে কাজলের পরিবারের অভিযোগ। যদিও নিজের বাপের বাড়িতে কিছু বলতে চাইতো না কাজল। তবে গত ২২ তারিখ, নিজের দাদা নিখিলকে ফোন করে সবকথা বলে কাজল। তখনই ভাই-বোনের কথোপকোথন শুনে ফেলে অঙ্কুর। রাগে নিজের স্ত্রী কাজলকে মারধর করতে থাকে, ফোন ছিনিয়ে ওপারে থাকা নিখিলকে বলে,  ‘এই কলটা রেকর্ড করে রাখ। আমি তোর বোনকে মারছি, পুলিশ আমার কিছু করতে পারবে না।’ অঙ্কুর বলে রেকর্ডিংটা পুলিশের কাছে প্রমাণ হিসাবে কাজে লাগবে। ফোনে কাজলের চিৎকার শোনা যায়। তারপরেই ফোন কেটে যায় বলে অভিযোগ নিখিলের। কিছুক্ষণ পর অঙ্কুর আবার ফোন করে বলে কাজল মারা গিয়েছে।

Advertisement

 গত ২২ জানুয়ারি পশ্চিম দিল্লির এক্সটেনশন গার্ডেনের এক ভাড়া বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর অবস্থায় কাজলকে হাসপাতালে ভর্তি করলেও পাঁচদিন পর গত ২৭ তারিখ তাঁর মৃত্যু হয়। চার মাসের গর্ভবতী ছিলেন কাজল। এছাড়াও দেড় বছরের এক সন্তান রয়েছে তার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বিয়ে পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে পণের দাবিতে অত্যাচার করা হতো কাজলকে। বিয়েতে সোনা, বাইক, নগদ দেওয়ার পরও গাড়ি চেয়েছিল অঙ্কুরের পরিবার। সেইমতো গাড়িও নিজের বরকে উপহার দেয় কাজল। এমনকি তাঁর ননদদের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেয় সে। তারপরেও সাধ মেটেনি। পণের দাবিতে প্রায়ই মারধর করা হতো কাজলকে। পুলিশ অঙ্কুরকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করেছে।

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ